প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিস রোগীর সঠিক পরিচর্যা জরুরি: ডা. মো.শারফুদ্দিন

শাহীন খন্দকার: [২] বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো.শারফুদ্দিন আহমেদ আরও বলেছেন, সেবা দিয়ে রোগীর মন জয় করতে হবে। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি (ডায়বেটিস এন্ড হরমোন) বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে ডায়াবেটিসের জনসচেতনতামূলক শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

[৩] তিনি বলেন, মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রোগীদেরকে আরো বেশি সেবা দিতে হবে। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যার কারণে অনেক সময় মানুষ অন্ধ হয়ে যায়,শরীর দুর্বল হয়ে যায়, হার্ট, কিডনী, লিভারসহ রোগীরা বিভিন্ন জটিলতায় ভোগেন। তবে মানুষ সচেতন হলে এই রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলেও নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব।

[৪] বিশ্ববিদ্যালয়ের এ.ব্লক অডিটোরিয়ামে সেন্ট্রাল সেমিনার সাব-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। তিনি বলেন, শনাক্ত ছাড়া রোগীর সংখ্যাও অনেক ৬৮ শতাংশ তাই ডায়াবেটিস প্রতিরোধের সমন্বিত কর্মকান্ড জোরদার করতে হবে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এর সঠিক পরিচর্যা জরুরি বলে জানালেন।

[৫] সেমিনারে ডায়াবেটিসের স্নায়বিক জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,প্রায় অর্ধেক টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর নিউরোপ্যাথি তথা পেরিফেরাল স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটা হচ্ছে ডায়াবেটিসের সর্বাধিক সংঘটিত জটিলতা। তবে প্রথম দিকে উপসর্গ প্রকাশ নাও হতে পারে। হাত-পা দুর্বল বা অবশ হতে পারে। পায়ে ক্ষত হতে পারে। চোখের দৃষ্টি সমস্যা হয় চল্লিশোর্ধ্ব ৩ জন ডায়াবেটিস রোগীর মধ্যে একজনের রেটিনোপ্যাথি দেখা দেয়।

[৬] উপচার্য় বলেন, চোখের পেছনের আলোক সংবেদনশীল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অটোনোমাস নিউরোপ্যাথি হতে পারে যার ফলে হজমে সমস্যা, রক্তচাপ কমা, অসংযম হওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে এবং ব্যথার উপলব্ধি হ্রাস পেতে পারে। যেকোনো নিউরোপ্যাথি হতে পারে যার ফলে উরুর ব্যথা, পীঠের নীচে প্রচন্ড ব্যাথা, বুকের ব্যথা যা একটি হার্ট এটাকের লক্ষণও হতে পারে। কানে শোনার সমস্যাও হতে পারে।

[৭] এছাড়া ডায়াবেটিসের ফলে ব্রেন স্ট্রোক হতে পারে। হঠাৎ সুগার খুব বেশী বেড়ে গেলে অথবা বেশী কমে গেলে অজ্ঞান, খিঁচুনী, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই জটিলতা রোধে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের সাথে সাথে ওজন কমানো, কম ক্যালোরি খাওয়া, শারীরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করা অবশ্যই প্রয়োজন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত