প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কক্সবাজারে ২১ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শুরু

আয়াছ রনি, কক্সবাজার প্রতিনিধি: [২] কক্সবাজারের সদর, রামু ও উখিয়া উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলেছে। মাঠে ১০ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও ৪৬ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।

[৩] সদ্য ঘটে যাওয়া দুটি নির্বাচনী সহিংসতার কারণে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে কিছুটা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর এনিয়ে আঙ্কিত ভোটাররা। তবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট উৎসব অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে মাঠে রয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের।

[৪] বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) আজকে নির্বাচনে ১০ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও ৪৬ জন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে র‌্যাব পুলিশ বিজিবি ও আনসার সদস্য মাঠে রয়েছে।

[৫] এদিকে পুলিশ সূত্র জানায়, ৫ নভেম্বর রাতে ঝিলংজা ইউপি’র লিংকরোড়ে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছে কক্সবাজার জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার।

[৬] এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়ে চমেকে চিকিৎসাধীন রয়েছে একই ইউপি’র ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী ও নিহতের ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদার। এর তিনদিন পরে পিএমখালী ইউপির তোতকখালীতে প্রতিপক্ষের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম রেজা।

[৭] কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র অনুসারে ১১ নভেম্বর তিন উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে । এতে রামু ১১ টি ইউনিয়নের ১০০ টি কেন্দ্রে, উখিয়ার ৫০ টি কেন্দ্রে এবং সদর উপজেলার ৫৩ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।

[৮] প্রার্থী ও ভোটারদের দেয়া তথ্যমতে সদর উপজেলার খুরুশকুল, চৌফলদন্ডী, ভারুয়াখালী, পিএমখালী ও ঝিলংজা ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ৫ ইউনিয়নের মোট কেন্দ্র ৫৭ টি। এরমধ্যে ২৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ।

[৯] রামু উপজেলার ফতেখারকুল, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, জোয়ারিরনালা, রশিদ নগর, ইদগড়, চাকমারকুল, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, খুনিয়াপালং, রাজারকুল ও কাউয়ারখোপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ১১ টি ইউনিয়নের মোট ভোট কেন্দ্র ১০০ যার মধ্যে ৫৮ টি ঝুকিপূর্ণ।

[১১] একইদিন উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং , রত্না পালং রাজা পালং, জালিয়া পালং ও পালং খালী ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই উপজেলার ৫০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি ভোটকেন্দ্রই ঝুকিপূর্ণ।

[১২] এবিষয়ে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোছাইন বলেন, কক্সবাজার জেলার তিনটি উপজেলার ২০৩ টি কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ৮৮ টি কেন্দ্র সাধারন ও ১০৫টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ।

[১৩] কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহাজাহান নূরী বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে ১০ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২১টি ইউপিতে নির্বাচনী দায়িত্ব রয়েছে।

[১৪] এদিকে, কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, শতভাগ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন করা হবে। কেন্দ্রে কেউ যদি কোনো সমস্যা করার চেষ্টা করে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ব্যালেট পেপার ছিনতাই কিংবা ভোট ডাকাতির চেষ্টা করলেই গুলি করা হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত