শিরোনাম
◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন  ◈ বিএনপির অস্তিত্বের লড়াই, জামায়াতের নতুন স্বপ্ন: সারাদেশে চলছে ভোট গ্রহণ ◈ ভোটের দিনে স্বাভাবিক রয়েছে মেট্রোরেল ও ট্রেন চলাচল ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের টহল, কেন্দ্রে কেন্দ্রে উৎসবের আমেজ ◈ গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি নাসির উদ্দিন ◈ গুলশান কেন্দ্রে ভোট দিলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০৬:৪৯ বিকাল
আপডেট : ১০ নভেম্বর, ২০২১, ০৬:৪৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নতুন ভেরিয়েন্টের প্রবেশ ঠেকাতে পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শাহীন খন্দকার: [২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বুলেটিনে এতথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাসে নতুন ডেল্টা ভেরিয়েন্ট প্রকোপের পর এশিয়া ও ইউরোপের নানা দেশে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট এওয়াই. ৪.২ এর প্রকোপও দেখাগেছে। তাই সংক্রমণ পরিস্থিতি ‘স্থিতিশীল’থাকলেও দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর-স্থলবন্দর ও নৌবন্দরগুলোতে আগত যাত্রীদের পরীক্ষার কার্যক্রম জোরদার করছে তারা।

[৩] বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও অসংক্রামক রোগ বিভাগের পরিচালক বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আমরা যথেষ্ট স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছি। সারা বিশ্বে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন, ৫০ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের পরিস্থিতির সঙ্গে বা পাশের দেশ ভারত, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে তুলনা করলেও দেখা যাবে কেন আমরা এগিয়ে আছি। কেবল মৃত্যুর সংখ্যা দিয়েও তো বোঝা যায়, একটা দেশ করোনা কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে।

[৪] পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে তিনি বলেন, ‘ভারতে প্রতি লাখে মারা গেছেন ৩৩ জন, থাইল্যান্ডে ২৮ জন, নেপালে ৩৯ দশমিক ৩১ জন, শ্রীলঙ্কায় ৬৪ জন। সেখানে বাংলাদেশে প্রতি লাখে মৃত্যুর হার ১৬ দশমিক ৯৪ জন। গত ৭ দিনে ভারতে মারা গেছেন ২৫০০ জন, থাইল্যান্ডে ৪০০ জন, সেখানে বাংলাদেশে গত ৭ দিনে ৩১ জন মারা গেছেন। টেস্ট ও পজিটিভ রোগীর সংখ্যার দিক থেকেও বাংলাদেশ এদের চেয়ে উন্নত অবস্থানে আছে। তাহলে আমরা বলতেই পারি, বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে।’

[৫] চলতি মাসের শুরু থেকে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে ১ দশমিক ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে টেস্টের সংখ্যা বাড়ানোর পজিটিভ রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। ‘স্থিতিশীল’ পরিস্থিতির মধ্যেও নতুন ভেরিয়েন্টের প্রকোপের আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সতর্ক অবস্থানেই থাকতে বলছে দেশবাসীকে।

[৬] ডা. রোবেদ আমিন আরও বলেন, ‘ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হল, তার কোনো ভেরিয়েন্ট যদি এক জায়গায় দীর্ঘদিন থাকে, তবে সেটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এখন যে স্থিতিশীল অবস্থা রয়েছে, তাতে ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে নতুন কোনো ভেরিয়েন্ট আসলে পরিস্থিতি কিন্তু বদলে যাবে। তাই সবাইকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’ করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘গত ১ নভেম্বর থেকে আমরা দেখছি সংক্রমণের হার ১ থেকে ১ দশমিক ৩ এর মধ্যে থাকছে। যদি আরও ২-৩ সপ্তাহ আমরা এমন হার ধরে রাখতে পারি বা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা যদি শূন্য হয়ে যায়, তাহলে কেবল আমরা বলতে পারব, কোভিড পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়