শিরোনাম
◈ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান, ব্যালন ডি’অর জিতে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন ◈ জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোনো অপরাধে ফিরছেন দাগি আসামিরা ◈ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ঠেকানো কঠিন: রেলমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা কতটা, কী কী শর্ত পূরণ জরুরি ◈ ৬৪৬ কোটি টাকার প্রকল্পে অগ্রগতি মাত্র ১৬ শতাংশ, দুই বছরেও শুরু হয়নি সিলেটের দুই গ্যাসকূপ খনন ◈ বাংলাদেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ টঙ্গীতে শিশু নির্যাতন: দেশ ছাড়ার কথা জানালেন শিশুটির বাবা রুমি ◈ স্পেনের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশি পণ্যের বহুমুখীকরণে জোর ◈ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ৫ বড় পরিবর্তন, সীমান্ত বন্ধ ও গণবহিষ্কারে জোর ◈ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ

প্রকাশিত : ২২ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ২২ অক্টোবর, ২০২১, ১০:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনায় ১ লাখ ৮০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর আশঙ্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

খালিদ আহমেদ: [২] এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার বিষয়ে জোর দিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস। একই সঙ্গে তিনি করোনার টিকার সরবরাহ নিয়ে বৈষম্যের সমালোচনাও করেছেন।বিবিসি

[৩] করোনা মহামারিতে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সময়ে ওই স্বাস্থ্যকর্মীদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ১৩ কোটি ৫০ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করছেন।

[৪] ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ১১৯টি দেশ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সারা বিশ্বে গড়ে পাঁচজনের মধ্যে দুজন স্বাস্থ্যকর্মী করোনার টিকা পেয়েছেন। তবে এই গড় হিসাবের আড়ালে বিভিন্ন অঞ্চল ও আর্থিক সক্ষমতাভেদে বড় বৈষম্য রয়েছে। আফ্রিকা মহাদেশে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ১ জনেরও কম স্বাস্থ্যকর্মী টিকা পেয়েছেন। অপর দিকে উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে এই অনুপাত প্রতি ১০ জনে ৮ জন।

[৫] এর আগে জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্রুস আইলওয়ার্ড আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, করোনা মহামারি আগামী ২০২২ সালেও তাণ্ডব চালাতে পারে। এর পেছনে তিনি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন দরিদ্র দেশগুলোর প্রয়োজনীয়সংখ্যক টিকা না পাওয়ার বিষয়টি।

[৬] করোনার টিকাপ্রাপ্তির দিক দিয়ে আফ্রিকা অঞ্চলের অবস্থা তুলনামূলকভাবে বেশ খারাপ। বিশ্বে এখন পর্যন্ত দেওয়া মোট টিকার মাত্র ২ দশমিক ৬ শতাংশ পেয়েছে এ মহাদেশের বাসিন্দারা। আফ্রিকার ৫ শতাংশের কম মানুষ করোনার টিকা পেয়েছে। অপর দিকে অন্য মহাদেশগুলোতে মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এসব টিকার সিংহভাগই পেয়েছে উচ্চ আয় ও উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশগুলো।

[৭] করোনার টিকা নিয়ে এমন বৈষম্য দূর করতেই কোভ্যাক্স প্রকল্প চালু করেছিল জাতিসংঘ। এর উদ্দেশ্য ছিল আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে টিকাপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা। তবে জাতিসংঘের এমন প্রকল্পের বাইরে গিয়ে ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭-এর অনেক সদস্য টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তিতে গিয়ে সরাসরি টিকা সংগ্রহ করতে থাকে।

  • সর্বশেষ