শিরোনাম
◈ কেউ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা ◈ পলায়নকালে ইমিগ্রেশন আইন ভঙ্গ: হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন ◈ চাপের মুখে মোদি সরকার: ককরোচ পার্টির আন্দোলনের মধ্যেই রাস্তায় নেমেছেন কৃষকরা ◈ ২০২৭ সালের হজে দুটি সরকারি প্যাকেজ, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ◈ এবার ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলনের নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(ভিডিও) ◈ হেফাজতের উদ্যোগে কওমি ধারার ৭ ইসলামী দলের ঐক্য প্রচেষ্টা, জামায়াতের ১১ দলীয় জোটে ভাঙনের জল্পনা ◈ যানজট কমাতে নতুন উদ্যোগ: ঢাকার ১২০ মোড়ে আসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ◈ কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা ◈ মা‌র্কিন প্রেসি‌ডেন্ট ডোল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এক নম্বর শত্রু ◈ আর্জেন্টিনা দ‌লের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু ফিফার

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:৫৬ সকাল
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

থাইরয়েড সমস্যা রোধে প্রভাব রাখে যেসব খাবার

হেল্থ ডেস্ক: থায়ারয়েড গলায় থাকা প্রজাপ্রতির মতো একটা গ্রন্থি যা দেহের সার্বিক কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে। আয়োডিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ সুষম খাবার এবং এর সঙ্গে পর্যাপ্ত শরীরচর্চা, ওষুধ খাওয়া থায়রয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গলার ‘অ্যাপোলো স্পেকট্রা হাসপাতাল’য়ের পুষ্টিবিদ ডা শরণ্য শ্রীনিবাস শাস্ত্রী বলেন, “এই পদ্ধতিতে ত্রুটি হলে হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং থাইরয়েডাইটিসের মতো অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে।”

টাইমস অফ ইন্ডিয়া ডটকম এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি আরও বলেন, “এর ফলে চুল পড়া বা টাক হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ওজন বৃদ্ধি বা ওজন হ্রাস, অনিয়মিত মাসিক চক্র, ক্লান্তি, অলসতা ইত্যাদি অনুভূত হয়।”

জাফরান: থায়ারডের সমস্যায় জাফরান উপকারী। এটা পেটের সমস্যা, ব্যথা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সবজির সঙ্গে রান্না করে বা দুধের সঙ্গে মিলিয়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে জাফরান খাওয়া উপকারী। এতে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন পাওয়া যায়।

কলা: আরেকটি উপকারী খাবার যা নানাভাবে খাওয়া যায়। আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস হওয়াতে নিয়মিত কলা খাওয়া থায়ারয়েডের অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

মুগ ডাল: এটা প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস। এছাড়াও রয়েছে লৌহ ও জিংক যা প্রাকৃতিকভাবে নিষ্ক্রিয় ‘টি-ফোর’ সক্রিয় করে টি-থ্রি’তে রূপান্তরিত করে। ফলে থায়ারয়েডের কার্যকারিতা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। সপ্তাহে দুইবার রাজমা, ডাল বা সুপ খাওয়া উপকারী।

বেইক করা মাছ: বেইক করা মাছ সেলেনিয়াম এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা থায়ারডের জন্য উপকারী।

সপ্তাহে একবার বেইক করা মাছ খাওয়া অ্যামিনো অ্যাসিডের ঘাটতি কমায় ও থায়ারয়েডের জন্য উপকারী মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবারহ করে।

শস্য-জাতীয় খাবার- সবজি, ডাল ও সামদ্রিক খাবার: শস্য-জাতীয় খাবার উচ্চ লৌহ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি সমৃদ্ধ যা দেহে সারাদিন শক্তি যোগায়।

অপ্রক্রিয়াজাত শস্য- ডাল, আটা ইত্যাদি আঁশ, প্রোটিন, সেলেনিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং থায়ারয়েডের জন্য ভালো কাজ করে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়