প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কালুরঘাট সেতু লোড ক্যাপাসিটি পরির্দশন করেন বুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিম

এম আর আমিন : [২] শতবর্ষের জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতুর লোড ক্যাপাসিটি পরির্দশন করেন বুয়েটের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। সেতুর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন।

[৩] শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পরির্দশন টিমে ছিলেন- প্রসেফর ড. এ এফ এম সাইফুল আমিন, প্রফেসর ড. আবদুল জব্বার খান ও প্রফেসর ড. খান মাহমুদ আমানত। বুয়েট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রেলওয়ের পক্ষে ছিলেন- রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আহসান জাবির।

[৪] উল্লেখ্য, কালুরঘাট সেতুটি জরাজীর্ণ। সহসা নতুন সেতু হওয়ার সম্ভাবনাও কম। তাই রেল কর্তৃপক্ষ জরাজীর্ণ এই সেতু দিয়ে কীভাবে ট্রেন চলাচল করবে তা জানতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েটের) দ্বারস্থ হয়েছিলো।

[৫] ঝুঁকিপূর্ণ কালুরঘাট রেল সেতুটির কিভাবে লোড ক্যাপাসিটি বাড়ানো সম্ভব, এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আহসান জাবির বলেন, বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যদের পরামর্শ অনুয়ায়ী শত বছরের জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতু মেরামত করা হবে।

[৬] তিনি আরও বলেন, বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই কালুরঘাট সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হবে। বুয়েটের পরামর্শের ওপর ভিত্তি করে আমরা টেন্ডার আহ্বান করব। তারপর কাজ শুরু করব।

[৮] বিশেষ সূত্র জানা যায়, কালুরঘাট নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হতে অনেক সময় লাগবে। কবে নাগাদ সেতুর কাজ শুরু হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। অর্থের যোগান না হওয়ায় এখনো প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়নি। টেন্ডারও হয়নি। এখনো অনেক কাজ বাকি। আবার নতুন করে ডিজাইন করতে হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ফান্ডের বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। তাই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচলের জন্য কালুরঘাট বিদ্যমান সেতুটি মেরামত করা হচ্ছে।

[৯] উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালে নির্মিত কালুরঘাট রেলসেতুটি এখন বয়সের ভারে ন্যুব্জ। গত ১০ বছর আগে সেতুটি ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। এ অবস্থায় ঝুঁকি ও ভোগান্তি মাথায় নিয়ে দিনে লক্ষাধিক মানুষ এ সেতু দিয়ে যাতায়াত করছেন। চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও, মোহরা, বোয়ালখালী, পটিয়া, দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এ সেতুর ওপর নির্ভরশীল।

[১০] চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের কাজ ২০২২ সালের শেষের দিকে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের মেয়াদ আরো দুই বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২৪ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন কক্সবাজার রেললাইন পরির্দশনের সময় আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর কক্সবাজারে ট্রেন যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত