প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কামরুল হাসান নাসিম: প্রজন্ম রাজনীতিতে ফিরে নতুন নতুন রাজনৈতিক দল করুক

কামরুল হাসান নাসিম: খুব সম্ভবত আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রজন্মের জন্য কয়েক মাসের জন্য কার্যকরী ভূমিকায় যাবো। যাওয়ার আগে বিএনপি পুনর্গঠন ইস্যু ঘিরে সিরিয়াস হবো। অন্তিম উদ্যোগটিও ইতিহাসে জায়গা নেবে। জাতীয় রাজনীতিতে হয়তো আর ফিরবো না, তবে কিছু পরামর্শ দেবো। এই বছরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি ও নাসিক নির্বাচন নিয়ে সোচ্চার থাকবো। ২০২২ সালের ২ নভেম্বর রাজনীতির ময়দান হতে অবসর গ্রহণ করবো। লক্ষ্য করছি, বাংলাদেশে নতুন নেতৃত্বের ঘাটতি রয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ চাচ্ছে, বিরোধী শিবির হিসেবে বিএনপিই থাকুক। এজন্য সকাল-দুপুর-বিকেল ওই দলটির পক্ষ থেকে বিএনপির নামই মুখে থাকছে। তারা তৃতীয় শক্তি বা পক্ষকে আমলে নিচ্ছে বলেই বিএনপিকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনীতি করছে। তৃতীয় শক্তি হিসেবে বাংলাদেশে মূলধারার রাজনীতিতে কেউই সাড়া ফেলতে পারেনি। তাই বিরাজনীতিকরণের মধ্য দিয়ে যারা বাঁকা রাস্তায় ক্ষমতায় আসতে চায়, সেই তাদেরই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ফলত আমলে নিচ্ছে। তারাও এক প্রকারের অনাগত তৃতীয় শক্তি! যদিও তাদের প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ হোম ওয়ার্ক সেরে নিচ্ছে। এমন উদ্যোগে যাওয়া উচিতও। আওয়ামী লীগের পাশাপাশি নতুন চিন্তার বিএনপি, জাপা, ন্যাপ, জাসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ থাকুক।

প্রজন্ম রাজনীতিতে ফিরে নতুন নতুন রাজনৈতিক দল করুক। নিকট ভবিষ্যতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আজ যাদের বয়স ৩০ থেকে ৪৫ এর মধ্যে, তারা বাংলাদেশকে ভালোবেসে প্রথমত সাংস্কৃতিক বিপ্লব করুক, আরো পরে রাজনৈতিক বিপ্লব। পাকিস্তান, ভারত, চীন, তুরস্ক, কিউবা, ভেনেজুয়েলা, কোরিয়া ও আমেরিকার অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় এজেন্ট হিসেবে যারা বাংলাদেশে রাজনীতি করছেন, তাদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের দুইটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থায় দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে অর্থবহ উদ্যোগে যাওয়া উচিত। তাদের হয়ে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন, করছেন… অত্যন্ত দুর্বল রাজনৈতিক চিত্তের এমন সত্তাধারীদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ অর্জিত হওয়ার সুযোগ কম থাকে। মনে রাখতে হবে, সুদীর্ঘ সময় নিয়ে শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করছেন। তাকে এখন পররাষ্ট্র সম্পর্কের দিকে আর না যেয়ে ‘পররাষ্ট্রনীতি’ নিয়ে কাজ করতে হবে। কাজেই দুইটি গোয়েন্দা সংস্থাকে অধিকতর প্রফেশনাল করতে তাদেরও স্বাধীন করে দিতে হবে। যারা কেবল স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সময়মতো তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতি (ডিফেন্স ডকট্রিন) দাঁড় করাতে পারে। যে রাজনৈতিক দল বা জোটই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকুক, এই দুইটি সংস্থা সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে থাকবে তা ঠিক আছে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থ উদ্ধারে কাউকেই ছাড় দেওয়ার মানসিকতায় তাদের থাকা যাবে না। লেখক : রাজনীতিবিদ

সর্বশেষ