প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]বেড়েছে পেঁয়াজ-কাচাঁমরিচসহ মুরগির দাম

শাহীন খন্দকার: [২] করোনার এই দুঃসময়ে সহনীয় দামে যেন কোনো পণ্যই মিলছে না। তবে কমেছে চালের দাম, নতুন ধান উঠলে এই দাম আরও কমবে।

[৩] ব্যবসায়ীরা বলছেন,আমদানিসহ খোলা বাজারে চাল বিক্রির কারণে কেজিতে দাম কমেছে ৩ থেকে চার টাকা। জেলার খুচরা বাজারগুলোতে মোটা স্বর্ণা চাল প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়, বিআর ২৮ চাল ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা এবং মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৩ থেকে ৫৫ টাকা দরে। নাজির শাইল চাল ৬৪-৭৭ টাকা মিনিকেট চাল প্রতি কেজি মাত্র ৫৬-৬৬ টাকা,আটাশ ৪৬-৫৪ আর বাসমতি ৬৬-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

[৪] এছাড়া আলু ২০-৪০ টাকা, পেয়াঁজ প্রতি কেজি ৪৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । লবণ প্রতি কেজির দাম থাকছে মাত্র ১৬-৩০ টাকা। চিনির বাজারমূল্য সাদা চিনি ৮৫ টাকা দেশি আঁখের চিনি পাওয়া যাচেছ ৯০ টাকায়। সয়াবিন তেল ৫ লিটার (রুপচাঁদা) পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৭০০-বসুন্ধরা ৬৯৫ টাকায়। রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়েছে পেঁয়াজের সঙ্গে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম একডজন ১১০ টাকা আর ইলিশ ৫৫০ থেকে ২০০০ টাকা কেজিধরে বিক্রি হচ্ছে।

[৫] শুক্রবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর মোহম্মদপুর ও কারওয়ানবাজারে খোঁজ নিয়ে ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজির কেজি ৫০ টাকার ওপরে। শুধু কচুরমুখী ও পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা। পাকিস্তানি কক বা সোনালী মুরগির দাম চলতি মাসের শুরুর দিকে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুরগির এখন ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে,দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়।

[৬]কৃষিবাজার মুরগী ব্যবসায়ী তাজুল বলেন, হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতে বিক্রি বাড়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণেই মুরগির দাম বাড়তি। সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি গাজর ১২০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা।

[৭] এ সবজিটির দাম সপ্তাহের ব্যবধানেও অপরিবর্তিত রয়েছে। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়শ, পটল, করলা। ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়সের কেজি ৬০-৭০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। শীতের আগাম সবজি মুলা, ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে।

[৮] ছোট ফুলকপি ৪০টাকা ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লাল শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাক, কলমি শাকের আঁটি ৫ থেকে ১০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

[৯] এগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। সবজির দামের বিষয়ে ব্যবসায়ী বলেন, বন্যা ও বৃষ্টির কারণে সবজি খেতের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে সবজির দাম বাড়তি। তবে আস্তে আস্তে বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ছে। সবজি ব্যবসায়ি সবুজ হোসেন বলেন, যদি আর বৃস্টি না হয় তাহলে কিছুদিনের মধ্যেই সবজির দাম কমে যাবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত