প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তালিবানের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত হতাশাজনক, মুসলিম দেশ থেকে ইসলামি ব্যবস্থা শিখতে বললেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাশিদুল ইসলাম : [২] নারী শিক্ষা নিয়ে তালিবানের অবস্থানকে অত্যন্ত হতাশাজনক বলে মন্তব্য করে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরাহমান আল-থানি বলেন, তালিবানের উচিৎ কাতারের থেকে শেখা কীভাবে সঠিকভাবে ইসলামি আইন পরিচালনা করতে হয়। একইসঙ্গে তালিবান পশ্চাদমুখী ব্যবস্থা কায়েম করেছে বলেও হতাশা প্রকাশ করেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আল-জাজিরা

[৩] নারী শিক্ষা নিয়ে তালিবানের নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন আল-থানি। ক্ষমতা দখলের প্রায় এক মাস হয়ে গেলেও এখনও আফগান মেয়েরা হাই স্কুলে যেতে পারছে না। কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়েও নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সংগঠনটি। এসব কারণে দোহায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিভাগের প্রধান জোসেফ বোরেলের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তালিবানের কঠিন সমালোচনা করেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে সম্প্রতি কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যা একেবারেই কাম্য ছিলনা।

[৪] আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে তালিবানের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তার অন্যতম মধ্যস্ততাকারী ছিল কাতার। এর অধীনেই আফগানিস্তান ছেড়ে যায় মার্কিন সেনারা। আর সেই সুযোগেই দেশটি দখল করে ক্ষমতায় আসে তালিবান। কাতার এরপরেও তালিবানের সঙ্গে অন্য সব দেশের থেকে বেশি যোগাযোগ রেখেছে। কাবুল বিমানবন্দর চালু করতে প্রকৌশলী দল পাঠিয়েছিল দেশটি। তবে তালিবানের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে কাতারের হতাশা প্রকাশ পেতে শুরু করছে।

[৫] আল-থানি আরো বলেন, আমাদের উচিৎ তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে তাদেরকে এমন সব পদক্ষেপ না নিতে আহ্বান জানানো। আমরা তালেবানকে বলতে চাই, তাদের দেখা উচিৎ কীভাবে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ইসলামি আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। তারা কীভাবে নারী ইস্যুতে কাজ করছে। উদাহরণ হিসেবে কাতারের কথা তোলেন আল-থানি। বলেন, কাতার একটি মুসলিম রাষ্ট্র। এখানে ইসলামি ব্যবস্থা কায়েম রয়েছে। কিন্তু এখানে কর্মক্ষেত্রে, শিক্ষায় ও সরকারে নারীদের সংখ্যা পুরুষ থেকে ছারিয়ে যাচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত