শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ দেখতে ফুটবল সমর্থকদের জন্য ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ কারা কিভাবে পাবেন সবার আগে প্রবাসী কার্ড, যেসব সুবিধা থাকবে ◈ ‘গুলিতে স্ত্রী নিহত’ মামলা ভুয়া, তদন্তে বাদীর স্বীকারোক্তি, শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ ◈ দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম ◈ অনলাইন জুয়ার ভয়ংকর ফাঁদ ◈ ইংল্যান্ড জাতীয় দ‌লের নির্বাচক হলেন অস্ট্রেলিয়ান মার্কাস নর্থ ◈ বিক্রয় ডট কম কিনে নিল নাইজেরিয়ার অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘জিজি’ ◈ ৬৭ পয়সা কেজি দরে বিক্রি: ক্ষোভে নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিলেন যুবক ◈ জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ ◈ গিটার বাজিয়ে গান গেয়ে শিল্পী সেজে ৭ মাদকসেবীকে ধরলো শাহবাগ পুলিশ (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৯:৪৭ রাত
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৫৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশি শিক্ষিকা সাবিনা নেসাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়: লন্ডন পুলিশ

খালিদ আহমেদ: [২] হত্যাকাণ্ডের সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পুলিশ জানতে পেয়েছে দুই ফুট লম্বা একটি অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয় সাবিনা নেসাকে। লন্ডন পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

[৩] পুলিশ ওই ঘটনার জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার আলবেনীয় নাগরিক কচি সেলামাজের (৩৬) বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনেছে। তাকে বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

[৪] কচি আগে ডোমিনসের ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন।

[৫] সাসেক্সের ইস্টবোর্নের বাসিন্দা কচির এর আগে কোনো অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইস্টবোর্নের একটি ফ্ল্যাটে প্রেমিকার সঙ্গে বাস করতেন কচি। তবে সম্প্রতি তার প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যায়।

[৬] হত্যাকাণ্ডের দিন কচি সাবিনার বাড়ির কাছের ওই পার্কে প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করছিলেন বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে।

[৭] গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পর বাড়ি থেকে মাত্র পাঁচ মিনিট দূরত্বে খুন হন সাবিনা নেসা।

[৮] দক্ষিণ লন্ডনের এক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন সাবিনা নেসা। ২৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পড়াশোনা করেছেন গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাবিনা নেসাকে একজন ‘মেধাবী, দয়ালু এবং নিবেদিতপ্রাণ’ শিক্ষক বলে বর্ণনা করেছেন।

[৯] সাবিনা নেসার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়। যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের একটি ছোট্ট শহরে স্যান্ডিতে থাকেন তার পরিবার। বাবা আবদুর রউফ কাজ করেন স্যান্ডির একটি রেস্টুরেন্টে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়