প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জলবায়ু ট্রাস্ট ফাণ্ডের প্রকল্পে গ্রহণে উপকূলকে অগ্রাধিকার দিতে হবে

মনিরুল ইসলাম: [২] জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফাণ্ডের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য, বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

[৩] বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত ‘জলবায়ু অর্থায়নকৃত উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর মনিটারিং ও স্থানীয় নাগরিক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তারা এই আহ্বান জানান।

[৪] সেমিনারে অংশ নেন সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রেজাউল হক ও সহকারী পরিচালক শাকিলা ইয়াসমিন, সিএসআরএলের জিয়াউল হক মুক্তা, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, সিপিআরডি’র নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুদ্দোহা প্রমূখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের সৈয়দ আমিনুল হক।

[৫] আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, উন্নয়ন কর্মসুচি বাস্তবায়নে অনিয়মসমুহ দুর এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে সরকারকে সজাগ রাখতে পারে। সুতরাং প্রয়োজনীয় আইন দ্বারা রাষ্ট্রের এই অংশটিকে অবশ্যই শক্তিশালী করতে হবে।

[৬] সৈয়দা রুবিনা আক্তার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে উপকূলের জনজীবনে সংকট প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

[৬] গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাতারে নিয়ে এসেছে। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুতই উন্নত দেশের কাতার পৌছানো সম্ভব হবে।

[৭] ড. রোজউল হক বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প মনিটরিংয়ে নাগরিক সমাজের এই উদ্যোগ খুবই ভাল ও শিক্ষনীয়। তবে উন্নয়ন প্রকল্পে নাগরিক সমাজরে সংযুক্তির বিষয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

[৮] সেমিনারে উত্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সরকার প্রতিবছর হাজার হাজার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করছে, যেগুলো সরকারের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ’ (আইএমইডি) দ্বারা কার্যকর পর্যবেক্ষণ করা কঠিন। এই প্রেক্ষাপটে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণের সময় নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ প্রকল্পগুলোর গুণগতমান এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে পারে। সরকার একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি করতে পারে যাতে করে নাগরকি সমাজ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোর মনিটরিংয়ে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে পারে।

 

সর্বশেষ