প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সাড়ে সাত মাস পর কবর থেকে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ উঠানোর নির্দেশ আদালতের

সুস্থির সরকার: [২] নেত্রকোণার আটপাড়ায় মৃত্যুর প্রায় সাড়ে সাত মাস পর আদালতের নির্দেশে ময়না তদন্তের জন্যে কবর থেকে এক বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলার দুওজ ইউনিয়নের ইকরাটিয়া গ্রামে কবর থেকে নির্বাহী হাকিমের উপস্থিতিতে এই মরদেহ উত্তোলন করা হয়। বালু ব্যবসায়ী হচ্ছেন, ইকরাটিয়া গ্রামের সামছুল ইসলামের ছেলে ইমরুল ইসলাম (৫০)। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

[৪] ইমরুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম মান্না জানান, তার বাবা ইমরুল ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে বালুর ব্যবসা করতেন। পার্শ্ববর্তী মদন উপজেলার জাওলা গ্রামের রহিছ উদ্দিনের ছেলে বালু ব্যবসায়ী হারেছ ও হাবিবুরের সাথে যৌথ ব্যবসা ছিল। তাদের মধ্যে ব্যবসার লেনদেন নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। এই দ্বন্দ নিরসনে ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে তার বাবা ইমরুল বাড়ি থেকে জাওলা গ্রামে ব্যবসায় সহযোগিদের কাছে যান। সেখানে থেকে দুপুরের দিকে বাড়িতে ফিরার পর ইমরুল ইসলাম মারা যান। তখন তার ব্যবসায়ী সহযোগিরা বলেছিলেন, জাওলা গ্রামের সামনে মরা নদীর পাড়ে গিয়ে কিছুটা আহত হয়েছিলেন ইমরুল এ কারণে মরদেহ কবর দেয়া হয়েছিল।

[৫] পরে ইমরুলের পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন ইমরুলকে ঘটনার দিন মারপিট করা হয়েছিল। এ কারণেই ইমরুল ইসলাম মারা যান দাবি করে মদন থানায় মামলা করতে গেলে থানায় মামলা নেয়া হয়নি। পরে নেত্রকোণা বিচারিক আদালতে ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন ইমরুল পুত্র মনিরুল ইসলাম মান্না ।

[৬] মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম জানান, ইমরুলের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার ইমরুলের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। এ সময় নির্বাহী হাকিম সুলতানা রাজিয়া উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী হাকিম সুলতানা রাজিয়া বলেন, আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

সর্বাধিক পঠিত