শিরোনাম
◈ শেষের পথে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড, খুলছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার ◈ ১০ টাকার নোটের দাম ২০ হাজার, সুন্দরবনে দস্যুদের অভিনব চাঁদাবাজি ◈ সঙ্গীসহ বিনামূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ আট দিন ঝুপড়িতে বন্দি, পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ; কাঁচা কদু-ডাল খাইয়ে হাতে-পায়ে শিকল, যেভাবে পাহাড়ে চলত মানবপাচার ◈ এবার হবিগঞ্জে জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি ◈ পুলিশি হামলার বিচার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ◈ কারাগারের নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা, সিসিটিভি নজরদারি ও আকস্মিক পরিদর্শন বাধ্যতামূলক ◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৩৯ বিকাল
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৩৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সাবেক সতীর্থ এখন দুধ বিক্রি করেন

স্পোর্টস ডেস্ক: [২] একসময় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে একজন প্রতিশ্রুতিশীল মিডফিল্ডার ছিলেন রিচার্ড একার্সলে। অনুশীলন করেছেন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে। কিন্তু ফুটবল ক্যারিয়ারকে লম্বা করতে না পারায় বর্তমানে দুধ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন ইউনাইটেডের সাবেক এ খেলোয়াড়।

[৩] রোনালদোর সঙ্গে একত্রে অনুশীলন করলেও মাঠে কখনোই একসঙ্গে খেলা হয়নি একার্সলের। ইউনাইটেডে তার অভিষেক হয় ২০০৯ সালে। আর সে মৌসুমেই ওল্ড ট্রাফোর্ড ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লিখিয়ে ছিলেন রোনালদো। আর একার্সলের ক্যারিয়ারও খুব লম্বা হয়নি। ওল্ডহ্যাম অ্যাথলেতিকের হয়ে ২০১৫ সালেই নিজের শেষ ম্যাচ খেলেছেন।

[৪] সম্প্রতি দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একার্সলে বলেন, আমি ভেবেছিলাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইউনাইটেডে ফিরে আসবেন। শেষবার যখন তিনি সেখানে ছিলেন, আমিও সেখানে ছিলাম। আমি তার সঙ্গে অনুশীলন করেছিলাম। তবে এখন আমি একজন দুধ ব্যবসায়ী এবং আমি ওটমিল্ক বিক্রি করি।

[৫] খেলা ছাড়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সাবেক এ ইউনাইটেড মিডফিল্ডার বলেন, ওল্ডহ্যামের কোনো টাকা কিংবা আশাও ছিল না। আমি তখন বিয়ে করেছি, আমাদের একটি নবজাতক শিশু ছিল এবং আমি আমার স্ত্রীকে বলেছিলাম আমি ফুটবল ছাড়তে চাই। এটা ছিল স্বস্তিদায়ক। আমার কাছে ছয় মাস বা এক বছর চলার মতো টাকা ছিল।

[৬] আর বর্তমান জীবন নিয়ে বেশ সুখী একার্সলে, আমাদের নিজস্ব বাড়ি আছে, আমাদের বাগান আছে এবং আমরা আমাদের নিজস্ব খাদ্য উৎপাদন করি। এটা একটি রাস্তা ছাড়া শহরে, প্রায় ৪০ জনের একটি কমিউনিটি রয়েছে যেখানে সব প্রাকৃতিক এবং শতভাগ জৈব।

[৭] এখন নিজেকে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে দুধ ব্যবসায়ীতে পরিণত করাই তার লক্ষ্য, আমরা কাচের বোতলে প্রতিমাসে ২৫ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন করছি, সবকিছু পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং এটি একটি বৃত্তাকার ব্যবসায়িক মডেল। আমাদের ২২ জন কর্মচারী আছে এবং আমরা আগামী পাঁচ বছরে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় দুধ বিতরণকারী হতে চাই। ডেইলিস্টার

  • সর্বশেষ