শিরোনাম
◈ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ ◈ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন শেষে আগের কর্মস্থলে ফিরলেন আসিফ নজরুল ◈ ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন ◈ চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ‘সেটলিং বাণিজ্য’ ও দুর্নীতির অভিযোগ, পাল্টা ‘মিথ্যা’ দাবি তাজুল ইসলামের ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ শতাংশ মানুষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদত্যাগ চান ◈ কবে থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, জানাগেল তারিখ ◈ চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব: ডিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন ◈ মেয়াদ যেখানে শেষ হবে সেখানে আগে সিটি নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল ◈ রা‌তে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ইংল্যান্ডের বিরু‌দ্ধে লড়াই‌য়ে নাম‌বে পাকিস্তান ◈ প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতির পর বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা!

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৭:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কক্সবাজারে রেললাইন বদলে দেবে স্থানীয়দের জীবনমান, রেলমন্ত্রী

আয়াছ রনি: [২] দোহাজারী-ঘুমধুম রেললাইন প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেছেন রেলপথ মন্ত্রী এডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন।

[৩] বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজারের রামু হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণে করোনা মহামারির কারণে সাময়িক ধীরগতি দেখা দিলেও এখন পুনরায় কাজের গতি ফিরে এসেছে। ১৮৮ কিলোমিটার রেললাইনের অবকাঠামো নির্মাণ প্রায় ৫০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো কাজ সম্পন্ন করার আশা করা হচ্ছে।

[৪] মন্ত্রী বলেন, দোহাজারী-ঘুমধুম রেললাইন বদলে দেবে স্থানীয়দের জীবনমান। প্রথমে এই প্রকল্পের ব্যয় ১৮ হাজার কোটি টাকা থাকলেও তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে যাত্রী ওঠা নামার জন্য নির্মাণ করা হবে ৯টি স্টেশন। এসব স্টেশন নির্মাণও চলছে দ্রুতগতিতে। প্রথম পর্যায়ে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ১০১ কিলোমিটার লাইন নির্মাণ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য আরও ৩৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং খুব শীগ্রই ঘুমধুম রেলপথের কাজ শুরু হবে।

[৫] রেলপথ মন্ত্রী বলেন, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার রামু হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ রেললাইন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালে এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। অন্যদিকে এই রেললাইন চালু হলে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়