শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:২৪ রাত
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১২:২৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] দুর্গাপূজার পর পরীক্ষা চান জবির সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিনিধি: [২] দুর্গাপূজার পর সেমিস্টার পরীক্ষা চান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের(জবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বরাবর একটি আবেদন করেন তারা। কিন্তু অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ শিক্ষার্থীদের সে আবেদন জমা নেননি।

[৩] অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, দুর্গাপূজার মধ্যে পরীক্ষা থাকায় ডিনদের সঙ্গে আমাদের সভা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের অসুবিধার বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তাঁরা চাইলে সম্প্রীতি ও শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে পূজার পরই পরীক্ষা নিতে পারবেন।

[৪] জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আগামী ৭ অক্টোবর থেকে সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এবছর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ১১-১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা পালন করা হবে।

[৫] তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগ পূজার দিনে পরীক্ষা দেওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। একই সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা পূজার পর পর্যাপ্ত বিরতি দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান।

[৬] শিক্ষার্থীদের এই দাবির প্রেক্ষিতে রোববার উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে ডিনস কমিটির এক সভায় ১১-১৬ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

[৭] তবে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বলছেন, দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই গ্রামে। আগামী ৭ অক্টোবর যদি তাদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ক্যাম্পাসে আসতে হয়। তবে পরীক্ষার মধ্যেই আবার পরিবারের সঙ্গে পূজা উদযাপনের জন্য গ্রামে ফিরতে হবে এবং পূজা শেষে তাড়াহুড়ো করে এসেই পরীক্ষায় বসতে হবে। কারণ অধিকাংশ বিভাগেই পূজার এক দিন পরেই পরীক্ষা রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক, শারীরিক ও অর্থনৈতিক চাপ পড়বে।

[৮] এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী সৌরভ দাস বলেন, কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে ১১-১৬ অক্টোবর কোন পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি খুব ইতিবাচক। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে পূজা উদযাপন শেষে একদিনের মধ্যে আবার ঢাকায় ফিরে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়টি খুব চাপের৷ বেশ কয়েকটি বিভাগ পূজার পর মাত্র একদিন বিরতি দিয়েছে৷ অন্তত দুইদিন যদি বিরতি দেওয়া হতো পূজার পর তাহলে আর এই চাপে পড়তে হত না৷ বছরে একবারই আমরা এই দুর্গাপূজা উদযাপন করি।

[৯] এ শিক্ষার্থী আরও বলেন, অনেক সাধ-ইচ্ছা নিয়েই পরিবারের সাথে সবাই পূজা উদযাপন করে। তাই সার্বিকদিক মিলিয়ে পূজার পর পর্যাপ্ত বিরতি দিলে খুব ভালো হতো। আমরা এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এটি বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি ট্রেজারার স্যারকে। আমরা চাই অন্তত আর একদিন বেশি বিরতি বেশি দিয়ে ১৮ তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো পরীক্ষা শুরু করুক।

  • সর্বশেষ