প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সূচি নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রতি অবিচার করা হয়েছে, আকাশ চোপড়ার কড়া সমালোচনা

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরপরই বাংলাদেশ সফরে আসবে পাকিস্তান। এই সফররের সূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া।

[৩] আগামী ১৯ নভেম্বর প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে দুই দলের মাঠের লড়াই। অথচ বিশ্বকাপের ফাইনালই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৪ নভেম্বরে। দুই দলের কেউ যদি আসরে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে তাহলে এই সিরিজের প্রস্তুতি নিতে এক সপ্তাহেরও কম সময় পাবেন ক্রিকেটাররা।

[৪] আর তাই আকাশ চোপড়ার প্রশ্ন, যারা সূচি বানিয়েছে তারা কি ধরেই নিয়েছে দুই দলের কেউই ফাইনালে যাচ্ছে না। আকাশ মনে করছেন ঘরের মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। তার মতে পাকিস্তানকে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়েই এই সফরে আসতে হবে। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষে কোনো বিশ্রামের সুযোগ পাবেন না ক্রিকেটাররা। তা ছাড়া যদি কোন দল ফাইনাল খেলে তাহলে বিশ্বকাপ মিশন শেষে সিরিজের জন্য প্রস্তুত হতে এক সপ্তাহও সময় পাবে না তারা।

[৫] মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশে পৌঁছে পাকিস্তান দলকে দুই দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে। এর ফলে এক জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে বের হয়ে কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও ঢুকতে হবে জৈব সুরক্ষা বলয়ে। আকাশ বলছেন, এমন ঠাসা সূচি বানিয়ে ক্রিকেটারদের প্রতি খানিকটা অবিচার করা হয়েছে।

[৬] বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজ প্রসঙ্গে আকাশ বলেন, তাহলে যারা সূচি বানিয়েছে তারা কি ধরেই নিয়েছে যে বাংলাদেশ-পাকিস্তান কেউই ফাইনালে যাচ্ছে না? এমন তো নয় তো যে কাউকে পাঠিয়ে দেবেন। আপনার তো শক্তিশালী একটি দল পাঠাতে হবে। এটা ক্রিকেটারদের প্রতি খানিকটা অবিচারই। কারণ আপনাকে দুবাই থেকে সরাসরি ঢাকা গিয়ে খেলতে হচ্ছে। তারপরও আমি পাকিস্তানকে সতর্ক করতে চাই যে বাংলাদেশ কিন্তু ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।

[৭] তিনি আরও বলেন, আপনি যদি পাকিস্তান ক্রিকেটের সূচি দেখেন তাহলে দেখবেন দম ফেলার সুযোগ নেই। বিশ্বকাপের পর ৬-৭ মাস তাদের টানা খেলা। বাংলাদেশে তারা যে দুটি টেস্ট খেলবে এটা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। আপনি এটি এড়িয়ে যেতে পারবেন না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ১৪ তারিখে তো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। এরপর কি ক্রিকেটারদের বিশ্রামের প্রয়োজন নেই? আমি দেখতে পাচ্ছি ২০ তারিখের দিকে ওরা বাংলাদেশ সিরিজ খেলবে।

[৮] প্রথম টি-টোয়েন্টির পর সিরিজের পরবর্তী দুই টি-টোয়েন্টি ২০ ও ২২ নভেম্বর। সিরিজে এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর চট্রগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে ২৬-৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। তারপর ঢাকায় ৪ ডিসেম্বর শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। – ক্রিকফ্রেঞ্জি

সর্বশেষ