শিরোনাম
◈ বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ-জাতিসংঘ সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় ◈ বহুমুখী যুদ্ধে চাপে ইসরাইল, ভেঙে পড়ার সতর্কবার্তা সেনাপ্রধানের ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে জবাব দিল ইরান, শর্তে অনড় তেহরান ◈ ১১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বিদেশি ঋণ ◈ যুদ্ধের প্রভাবে ব্যবহৃত গাড়ি রপ্তানিতে ধস, বিপাকে জাপানি ব্যবসায়ীরা ◈ ‘মহাবিপদের’ আশঙ্কা করছে সৌদি আরব ◈ প্যারেডে হেলিকপ্টার থেকে এন্টি-ট্যাংক উইপন, নজর কেড়েছে কে-৯ ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড ◈ যে কারণে আবারও বাজারে ছাড়া হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট! ◈ ডিজিএফআই ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না: আদালতে মামুন খালেদের দাবি ◈ ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান ট্রাম্প, সহযোগীদের জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:৪১ দুপুর
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০২:৪১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধামরাইয়ে ১৭ বছরের ওয়ারেন্টভুক্ত, হত্যা মামলা আসামি গ্রেপ্তার

মো.আদনান হোসেন : [২] বুধবার(১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর সাব -রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে থেকে আসামি ফিরোজ আলমকে আটক করা হয়। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার নামে একটি হত্যা মামলা হয়,মামলা নং-০৭।

[৩] বৃহস্পতিবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আসামিকে হাজতে প্রেরণ করা হয়। আসামি ফিরোজ আলম ধামরাই পৌরসভার কায়েতপাড়া মহল্লার হাবিবুর রহমান ওরফে হাবির ছেলে এবং নিহত তৈয়বুর রহমান উপজেলার ধামরাই ইউনিয়নের শরীফবাগ এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

[৪] স্থানী সূএে জানা যায়,১৭ বছর আগে ধামরাই কায়েত পাড়া সীমা হলের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামী ফিরোজ আলম তৈয়বুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এর পর হঠাৎ করে আসামী ফিরোজকে আর এলাকায় দেখা যায় নি। পরে জানা যায়, তিনি সৌদি আরব চলে গেছে। ফিরোজ আলম সেই সময় থেকেই সৌদি আরবে প্রায় ১৭ বছর থাকার গত ৬ মাস আগে দেশে ফিরেন।কিন্তু তার নামে সেই হত্যা মামলা রয়েই গেছে।তিনি সেই মামলার একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। গতকাল বিকেলে দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালামপুর সাব-রেজিষ্টার অফিসের পাশ থেকে তাকে আটক করে ধামরাই থানা পুলিশ।

[৫] নিহত তৈয়বুর রহমানের ভগ্নীপতি সোহেল হোসেন বলেন, আসামি ফিরোজ সম্পর্কে তৈয়বুরের খালাতো ভাই। আসামি ফিরোজ আলমের বাড়িও শরীফবাগ এলাকায়। কিন্তু পরে ফিরোজ পৌরসভার কায়েতপাড়া মহল্লায় বাড়ি করে বসবাস করেন। তৈয়বুরকে হত্যার পরে ফিরোজ সৌদি আরবে চলে যায়। দির্ঘ ১৭ বছর পর সে দেশে ফিরে।সে ওই মামলার একজন ওয়ারেন্ট ভুক্ত প্রধান আসামী।

[৬] নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আসামি ফিরোজের এক আত্মীয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যখন ঘটনাটি ঘটেছে তখন বিষয়টি মেটানোর জন্য বিবাদী পক্ষ অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাদী পক্ষের লোকজন এতে কোন প্রকার সারা দেন নি।

[৭] এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, সে ১৭ বছর ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর সৌদি আরবে চলে যান। গত ৬ মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার বিকেলে দিকে তাকে কালামপুর বাজার সাব-রেজিষ্টার অফিসের পাশ থেকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়