প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াবে অস্ট্রেলিয়া

সোহেল রহমান: [২] দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে অষ্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এ্যারেঞ্জমেন্ট’ (টিফা) চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। বুধবার সচিবালয়ে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই করা হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশে পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি এবং অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সে দেশের ‘ট্রেড, ট্যুরিজম অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ মিনিস্টার ডান টিহান সই করেন।

[৩] অনুষ্ঠানে চুক্তি সই করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টিফা সইয়ের ফলে বাংলাদেশে অষ্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়বে। উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা সফর বিনিময়ের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারেন। বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

[৪] বাংলাদেশ প্রায় ১৭ কোটি মানুষের একটি বড় বাজার। অষ্টেলিয়ার বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। বাংলাদেশ সরকার এজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। আশা করছি, টিফা’র ফলে উভয় দেশ উপকৃত হবে এবং বেসরকারি খাতে আগ্রহ বাড়বে।

[৫] প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত সেবা প্রদান সহজ করা হয়েছে।

[৬] তিনি আরও বলেন, অষ্ট্রেলিয়া ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশকে শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করছে। আগামী ২০২৬ সালে এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পরও অষ্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে প্রদত্ত বাণিজ্য সুবিধা অব্যাগত রাখবে এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় এলডিসি গ্রুপের প্রস্তাবে সমর্থন থাকবে বলে আশা করছি।

[৭] বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সারা বিশে^র মতো বাংলাদেশও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এর মুখোমুখি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে কোভিড-১৯ মোকাবেলা করে যাচ্ছে। ভ্যাকসিন উৎপাদকারী দেশ হিসেবে অষ্ট্রেলিয়াকে মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশে কোভিড ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে সরবরাহের অনুরোধ জানান তিনি।

[৮] অষ্ট্রেলিয়ার ট্রেড, ট্যুরিজম অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট মিনিস্টার ডান টিহান বলেন, টিফা সইয়ের মাধ্যমে উভয় দেশের বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়বে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের পাশাপাশি আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, প্ল্যাস্টিক ও শিক্ষাসহ বেশকিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে। সম্পাদনা : ভিকটর রোজারিও

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত