শিরোনাম
◈ মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ◈ মাদক-জুয়া ঠেকাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ ফের ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ◈ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের অর্থায়ন জটিলতা কাটছে, আগ্রহী চীনা ব্যাংক ◈ ঢাকা থেকে সারাদেশে বাসভাড়া কত, দেখুন নতুন তালিকা ◈ মক্কায় দ্বিতীয়বার সতর্কবার্তা, কী ঘটছে সৌদিতে? ◈ ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১ অক্টোবর ◈ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ ◈ সুপার এল নিনোয় সত্যিই কি মারা যাবে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ? ঝুঁকিতে কোন দেশগুলো  ◈ ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিক নিহত: মেহেদীর পরিবারকে টাকা দিয়ে মীমাংসা

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:০৯ দুপুর
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ইনজেকশন পুশ করে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

বগুড়া প্রতিনিধি: [২] গাবতলীতে ক্লিনিকের অংশীদারিত্ত নিয়ে দ্বন্দে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সেলিম হোসেন (২৭)কে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করে হত্যার অভিযোগ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

[৩] নিহত সেলিম হোসেন গাবতলী উপজেলার আটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র। নিহতের বড় ভাই আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

[৪] এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই ইনজেকশন পুশ কারি সাদ্দাম হোসেনকে (২৬) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার রামেশ্বরপুর উত্তরপাড়ার জিন্নাহ মিয়ার পুত্র।

[৫] অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বগুড়া সদরের পীরগাছা বাজারে সালমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিকের অংশীদারিত্ত নিয়ে অংশীদার কাম নার্স সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে শাহিন আলম ও তার ভাই সেলিম হোসেনের (ম্যানেজার) বিরোধ সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই মাস পুর্বে শাহিনকে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করে হত্যার অভিযোগ ওঠে। কোনও ‘প্রমাণ’ না থাকায় ঘটনাটি চাপা পড়ে যায়।

[৬] সেলিমের ভাই আবদুস সামাদ বলেন, তারা সাতজন প্রায় নয় মাস আগে পীরগাছা বাজারে সালমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করে। সাতজনের মধ্যে তাদের পরিবারের চারজনের অর্ধেক এবং অপর অর্ধেক শেয়ার সাদ্দাম হোসেনের ছিল। তাদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন নার্সের (সেবক) এবং সেলিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করতো।

[৭] বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় ক্লিনিকে থাকা অবস্থায় সেলিম অসুস্থ বোধ করে। তখন সাদ্দাম হোসেন বলে তার (সেলিম) উচ্চ রক্তচাপ আছে, হাসপাতালে নেওয়া দরকার। খবর পেয়ে সামাদ ১০টার ৫০মিনিটে ভাইকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চতুর্থ তলায় মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করে। সাদ্দাম হোসেন রাত ১২টা ৫মিনিটে সেলিমকে দেখতে যায়। এ সময় তার শরীরে স্যালাইন চলছিল।

[৮] একপর্যায়ে সাদ্দাম হোসেন তার পকেট থেকে ইনজেকশন বের করে সেলিমের হাতে লাগানোর ক্যানুলা দিয়ে পুশ করে। কী ইনজেকশন দেওয়া হলো তখন সাদ্দাম বলে গ্যাসের ইনজেকশন। সে অ্যাম্পুলের লেবেল ছিঁড়ে ফেলে এবং হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করে। ইনজেকশন পুশের ১০মিনিটের মধ্যে সেলিমের মৃত্যু হয়। এ সময় কর্তব্যরত নার্স সাদ্দামকে চেতনানাশক ইনজেকশনের অ্যাম্পুলসহ পুলিশে দেয়।

[৯] তিনি আরও বলেন, গত ৭ জুলাই তার আরেক ছোটভাই শাহিন আলমকে পীরগাছা বাজারের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্যালাইনের মাধ্যমে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করার পর রাতে তার মৃত্যু হয়। পরে বলা হয়, হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে। তখন শাহিনের মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে সন্দেহ করা হয়নি। সাদ্দাম হোসেন একই কায়দায় হত্যা করেছে সেলিমকে।

[১০] বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম রেজা এ প্রতিবেদক-কে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদ্দাম হোসেন হত্যার উদ্দেশে ইনজেকশন পুশ করার কথা স্বীকার করেছে। ক্লিনিকের আয় থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছিলো। সাদ্দামকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

 

  • সর্বশেষ