প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রংপুর সদর উপজেলার গভীর নলকূপে ফুটন্ত পানি

মাজহারুল ইসলাম : [২] এমন খবরে সেখানে উৎসুক মানুষের ভিড় জমেছে। চন্দনপাট ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী শফিউল আলম বাবুসহ আশপাশের ৬ জনের বাড়িতে এই ফুটন্ত পানির সন্ধান মেলে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়েছেন, ওই পানির তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাংলানিউজ২৪

[৩] সদর উপজেলার চনন্দপাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জানান, মণ্ডলপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিম মণ্ডলের ছেলে শফিউল আলম বাবু ৭ মাস আগে নিজ বাড়িতে গভীর নলকূপটি স্থাপন করেন। হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে তার নলকূপসহ ছাড়াও আশপাশের ৫/৬টি বাড়ির নলকূপ থেকে ফুটন্ত পানি বের হচ্ছে। সহজেই সেই পানি দিয়ে চা তৈরি করা সম্ভব। গরমের কারণে নলকূপের প্লাস্টিকের পাইপে হাতও দেয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি জনস্বাস্থ্য বিভাগকে জানানোর পর তাদের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নয়াদিগন্ত

[৪] রংপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের পানি পরীক্ষাগারের রসায়নবিদ (কেমিস্ট) আব্দুল জব্বার জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেখানকার পানির ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পেয়েছি। তবে কেন, কিভাবে এটি হলো তা বলা মুশকিল। জিওলজিক্যাল কোনো কারণে এটি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে হাইড্রোলিওজিস্ট অথবা মাইনিং স্পেশালিস্ট কাউকে দিয়ে পরীক্ষা করা হলে কারণ বের হতে পারে। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।

[৫] ব্যবসায়ী শফিউল আলম বাবু জানান, সুপেয় ও নিরাপদ ঠাণ্ডা পানি উত্তোলনের আশায় আমি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ৫৪৫ ফুট গভীর সাব মার্সিবল গভীর নলকূপটি স্থাপন করি। কিন্তু এখন ঠাণ্ডা পানির বদলে সেখান থেকে গরম পানি বের হচ্ছে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎচালিত ওই নলকূপটি চালু করলে প্রথম ৪/৫ মিনিট হালকা গরম পানি বের হয়। কিন্তু ৫/১০ মিনিট পর ফুটন্ত গরম পানির মতো পানি বের হতে থাকে। বেশ কয়েক দিন থেকে এটি হওয়ায় আমরা ওই পানি ব্যবহার করি না। তবে অনেকেই আসেন এবং বিভিন্ন পাত্রে করে গরম পানি নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেরই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

[৬] স্থানীয় অপর এক ব্যবসায়ী আজম আলী জানান, এই সমস্যা একটি বা দুটি নয়। মন্ডলপাড়ার প্রায় ১৫ থেকে ২০টির বেশি টিউবওয়েল ও গভীর নলকূপ থেকে দীর্ঘদিন ধরে গরম পানি উঠছে।

[৭] এলাকার কৃষক আকবর, সালাম ও সামছুল বলেন, ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির টিউবওয়েল ও গভীর নলকূপ দিয়ে গরম পানি বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে কৃষি কাজে ব্যবহৃত সেচ পাম্প দিয়ে বের হচ্ছে গরম পানি। এতে ফসলের ক্ষতির আশংকা অনেক বেশি। তাই দ্রুত এই পানি পরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি ভুক্তভোগীদের। আরটিভি অনলাইন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত