প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইমতিয়াজ মাহমুদ: অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে তো কাউকে না কাউকে লাশ শনাক্ত করতে হয়, জিয়াউর রহমানেরটা কে শনাক্ত করেছেন?

ইমতিয়াজ মাহমুদ: কথাটা অনানুষ্ঠানিকভাবে অনেকদিন ধরেই বাজারে প্রচলিত ছিলো, যে চন্দ্রিমা উদ্যানের ওই কবরটিতে জিয়াউর রহমানের লাশ নেই। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এটা নিয়ে খুব জোরেশোরে দায়িত্বশীল কেউ কখনো এইভাবে বলেননি। এখন যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই কথাটা বললেন এবং সেইসঙ্গে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারাসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারাও যখন এইটা নিয়ে তর্ক শুরু করেছেন, তাহলে পরীক্ষা হয়ে যাক। প্রমাণিত হয়ে যাক ওইখানে আসলেই জিয়াউর রহমানের লাশ আছে কী নেই। পরীক্ষা করা তো খুব কঠিন কিছু না, জিয়াউর রহমানের এক পুত্র এখনো জীবিত আছেন।

কবর থেকে স্যাম্পল নিয়ে জিয়াউর রহমানের পুত্রের সঙ্গে ডিএনএ ম্যাচ করে দেখা হোক। এমনিই তর্ক করে লাভ কী? কথাটা আমি প্রথম শুনেছি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর দুই-তিন বছর পর। জিয়াউর রহমান মারা গেলেন একাশি সালের মে মাসে। তিরাশি সনের শেষ দিকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বন্ধু একদিন কথায় কথায় বলছিলেন যে, ওইখানে জিয়াউর রহমানের মরদেহ নেই। আমার সেই বন্ধুর মতে, এই পুরো কাণ্ডটিই নাকি বদরুদ্দোজা চৌধুরী করেছেন। এরপর অনেকবার অনেকজনের মুখে এই কথাটা শুনেছি যে ওইখানে আসলে জিয়াউর রহমানকে দাফন করা হয়নি। কিন্তু এসব কথা কোনোদিনই খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিইনি- গুজব মনে করেছি। এখন যখন তর্কাতর্কিটা শুরুই হয়ে গেছে, তাহলে খালি খালি মুখে মুখে তর্ক করে কী লাভ! ওই যে একটা কথা আছে, হাত থাকতে মুখে কী? মুখের তর্ক বাদ দেন, দলিল নিয়ে আসেন অথবা ডিএনএ হয়ে যাক।

বি চৌধুরী তো জীবিত আছেন। সেই সময় চট্টগ্রামে অন্য যারা ছিলেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাদেরও অনেকেই নিশ্চয়ই জীবিত আছেন। তারাও খানিকটা আলোকপাত করুন। কেউ এগিয়ে এসে বলুন, কেউ জিয়াউর রহমানের মৃতদেহ দেখেছেন কিনা? কেউ বলুন, জিয়াউর রহমানের মৃতদেহ কে শনাক্ত করেছে? অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে তো কাউকে না কাউকে লাশ সনাক্ত করতে হয়। জিয়াউর রহমানেরটা কে শনাক্ত করেছেন? আনুষ্ঠানিক শনাক্ত না হলেও, কে গোসল দিয়েছেন, কে কাফনের কাপড় পরিয়েছেন, কোনো ফটো আছে কিনা- নানারকম প্রমাণই হতে পারে। হয়ে যাক, আমরা দেখি, খালি খালি তর্ক জিইয়ে রেখে কী লাভ! ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত