শিরোনাম
◈ ‘মুজিব ভাই’ বিতর্ক: ৪২ কোটি যেভাবে ৪ হাজার কোটি টাকা হলো ◈ পাকিস্তানি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের বিশেষত্ব কী, কেন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ? ◈ মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে: বিআরটিএ চেয়ারম্যান ◈ চিনি দিয়ে নকল খেজুরের রস বানিয়ে বোকা বানানো হচ্ছে ক্রেতাদের!(ভিডিও) ◈ 'মা আমাকে ছেড়ে যেও না', ডিভোর্সের পর সন্তান নিতে চাইল না কেউ, বুক ফাটা দৃশ্য ভাইরাল! (ভিডিও) ◈ ভারতের অন্য ভেন্যুতে খেলার বিষয়ে যা জানাল বিসিবি সভাপতি (ভিডিও) ◈ তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিনির্মিত হবে আগামীর বাংলাদেশ, মোদীর প্রত্যাশা ◈ পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাঁধাতে চাচ্ছে আমি ঝগড়া করবো না, উল্টোপাল্টা কথা বইলেন না : মির্জা আব্বাস ◈ আপিল শুনানির প্রথম দিনে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ও হারালেন ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস, প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে পূর্বাভাস আঙ্কটাডের

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২১, ১১:০১ রাত
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২১, ০১:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেতে নদীতে দুধ ঢাললেন মা

নিউজ ডেস্ক: তিনদিন আগে ট্রলার নিয়ে পদ্মায় ভ্রমণে যান ১৪ স্কুলশিক্ষক। ফেরার পথে ওইদিন সন্ধ্যায় ট্রলারটি ডুবে নিখোঁজ হন শিক্ষক আলমগীর হোসেন। এখনো ছেলের সন্ধান না পাওয়ায় আহাজারি থামছে না মা আনোয়ারা বেগমের। সন্তানকে ফেরত পাওয়ার আশায় নদীতে দুধ ঢেলে এবং কলাপাতার ওপর বাতাসা ভাসিয়ে দেন তিনি। জাগো নিউজ২৪

শনিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এমন দৃশ্য দেখে নদীর আশপাশে থাকা মানুষের চোখেও পানি চলে আসে। শুধু আলমগীর হোসেন নন, এ ট্রলারডুবির ঘটনায় আজমল হোসেন নামের আরেক স্কুলশিক্ষকও নিখোঁজ। তার বাড়িতেও স্বজনদের মধ্যে চলছে আহাজারি।

ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ফেরা এক শিক্ষক রেজাউল করিমের স্ত্রী কেয়া করিম জানান, সন্তান হারানোর বেদনা মা-ই একমাত্র বোঝেন। তারপরও সন্তান বেঁচে আছে কি-না মরে গেছে তাও অনিশ্চিত। মায়ের মন তো, সন্তানকে একবার শেষ দেখা দেখতেই যে যা বলছে তাই করছে। তাই তো ছেলেকে ফিরে পেতে নদীতে দুধ ও কলাপাতায় বাতাসা ভাসিয়ে দেন শিক্ষক আলমগীর হোসেনের মা। এছাড়া আজমল হোসেনের বাড়িতে আহাজারি চলছে

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার (২৫ আগস্ট) ১৪ জন শিক্ষক মিলে ফরিদপুরের সদর উপজেলার খলিল মণ্ডলের হাট এলাকা থেকে ট্রলারযোগে আনন্দ ভ্রমণে বের হন। সন্ধ্যায় ফেরার পথে ট্রলারের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় স্রোতের তোড়ে ঘাট এলাকায়ই ডুবে যায় ট্রলারটি। ১২ শিক্ষক ও মাঝি সাঁতরে তীরে আসতে পারলেও ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন ও সারদা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আজমল হোসেন নিখোঁজ থাকেন। চারদিনেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুরের ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ওই দিন থেকেই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়। অদ্যাবধি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের সমন্বয়ে কয়েকটি টিম নদীতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়