প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে হলে আমাদের সচেতন হতে হবে, বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে: ডা. আয়শা আক্তার

শাহীন খন্দকার: [২] রাজধানীর শেরে-ই বাংলা শ্যামলী ২৫০ শয্যা টিবি ও অ্যাজমা হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা মূলত দিনের বেলায় বেশি কামড়ায়। এর মধ্যে ভোর বা সূর্য ওঠার তিন চার ঘণ্টা পর এবং বিকাল থেকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত সক্রিয় থাকে।

[৩] তিনি বলেন, সাম্প্রতিক এক পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, শুধু দিনের বেলায় নয়, এডিস মশা সক্রিয় থাকে আলোয়। ফলে ঘরে আলো থাকলেও কামড়াতে পারে। সকালবেলার শুরুটায়, মানে যখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করে তখন থেকে পরবর্তী ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এডিস মশা তুলনামূলক বেশি সক্রিয় থাকে। আবার সন্ধ্যার আলো-আঁধারির মাঝেও বেশ শক্তিশালি থাকে এডিস মশা। মানুষ দেখলেই তেড়ে আসে।

[৪] এছাড়া যেখানে উজ্জল আলো থাকে, সেখানেও এডিস মশা সক্রিয় থাকতে পারে। মানে খুব পরিষ্কার, রাতের বেলা ঘরের কৃত্রিম আলোতেও এডিশ মশা কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা, সকাল-সন্ধ্যা বলে কথা নয়, যেকোনো সময়েই এডিস মশা কামড়াতে পারে। ডা. আয়শা আক্তার বলেন, এডিস মশা সাধারণত অন্য মশাদের তুলনায় কালো ধরনের হয়ে থাকে। এর পায়ে এবং পাশে সাদা ডোরাকাটা থাকে।

[৫] এডিস মশার মাথার পেছনে ওপরের দিকে কাস্তে ধরনের সাদা দাগ থাকে। বাকি মশাদের মাঝ বরাবর সাদা দাগ থাকে। এই দুটি বিষয় দেখেই চিহ্নিত করা যায় প্রাণঘাতী এডিস মশাকে। এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলায় বেশি কামড়ায়। তাই এ সময় শরীর ভালোভাবে কাপড়ে ঢেকে রাখতে হবে। মানে ফুলহাতা জামা পরুন। দিনের বেলা পায়ে মোজা ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ কোথাও বসে থাকলে অধিকাংশ সময়েই আমরা পায়ের দিকে খেয়াল করি না। মশা কামড়ে দেওয়ার পর টের পাই।

[৬] শিশুদের সর্ম্পকে এই চিকিৎসক আরো বলেন, শিশুদের ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পরাতে হবে। যখনই ঘুমাবেন সেটা দিনে হোক বা রাতে, অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে। মশাকে বধ করতে পারে এমন স্প্রে, লোশন, কয়েল ও ম্যাট ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

[৭] ফুলের টবের পানি ফেলে দিতে হবে পরিষ্কার পানিতে ডেঙ্গু মশা ডিম পাড়ে , সেই সঙ্গে বাড়ির ছাদে বাগানের টবে বা পাত্রে যেনো পানি জমে না থাকে এবং ঘরের ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, বাড়িঘরের আশপাশে যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি পরিষ্কারের পরামর্শ দেন। বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার রাখুন। ঘরের বাথরুমে কোথাও জমানো পানি ৫ দিনের বেশি যেনো না থাকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত