শিরোনাম
◈ যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, আইএলআর পেতে ১০-১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশিদের? ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে আশাবাদী বাংলাদেশ, সৌদি আরবের জবাবের অপেক্ষায় সরকার ◈ আগারগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য নতুন নির্দেশনা, যেসব কাজ করলে হতে পারে জরিমানা বা শাস্তি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন মঙ্গলবার, কী হবে ট্রাম্পের ভাগ্য? ◈ আফগা‌নিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে বাংলাদেশের সা‌কিব-মুশ‌ফিকসহ ১০ ক্রিকেটার ◈ এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম ◈ শুল্কের চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ ◈ ‘আসামে এলে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব’, রাহুলকে হিমন্ত ◈ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামতে চায় টিসিবি

প্রকাশিত : ০৫ আগস্ট, ২০২১, ০৬:০৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ আগস্ট, ২০২১, ০৬:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৭ জনের গোপন ভিডিও মিলেছে মৌ-পিয়াসার ফোনে

ডেস্ক রিপোর্ট: মাদক মামলায় কথিত মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌ গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের ফোনে একটি ব্যাংকের এমডিসহ ১৭ জনের গোপন ভিডিও দৃশ্য পাওয়া গেছে।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর একটি সূত্র। সূত্র: আমার সংবাদ

ওই সূত্র জানায়, সম্প্রতি কথিত মডেল পিয়াসা ও মৌয়ের চক্করে পড়েন বেসরকারি একটি ব্যাংকের এমডি। তার অসতর্ক অবস্থার ছবিকে পুঁজি করে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। এদের চক্কর থেকে বের হতে ওই ব্যাংকের এমডি বিষয়টি একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জানিয়ে আইনি প্রতিকার চান।

শুধু ওই ব্যাংকের এমডিই নন, এখন পর্যন্ত পিয়াসা ও মৌয়ের মোবাইল ফোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৭টি ভিডিও পাওয়া গেছে। এসব ভিডিওতে কয়েকজন শিল্পপতি-ব্যবসায়ীর বখে যাওয়া সন্তানদের অসতর্ক মুহূর্তের ছবিও রয়েছে।

ব্যাংকের এমডির সূত্র ধরে বিত্তশালীদের ফাঁসানোর বিষয় জানার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গভীরভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয় সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এসব অভিযোগের সত্যতা পায়। পরে সবুজ সংকেত মেলার পর গ্রেপ্তারি অভিযান শুরু হয়।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেপ্তার তালিকায় আরও ৩৫ থেকে ৪০ জন রয়েছেন। মূলত অসতর্ক মুহূর্তের ছবি ব্যবহার করে ফাঁসানোর এ চক্রটিকে একটি বার্তা দিতে চান সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, গত ১ আগস্ট রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ প্রথমে বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এর পর অভিযান চালানো হয় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মৌয়ের বাসায়। তার বাসাতেও মাদক পাওয়া যায়। পরে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পিয়াসা নানা ঘটনায় আলোচনায় ছিলেন। ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। সর্বশেষ গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক তরুণীর লাশ উদ্ধারে পর যে মামলা হয় তাতেও পিয়াসার নাম ছিল। আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদের সাবেক স্ত্রী পিয়াসা। রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের ওই ঘটনার কিছু দিন আগে সাফাতের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয় বলে জানা গেছে।

গুলশান থানায় পিয়াসার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পিয়াসার বাসা থেকে চারটি কলকি বা হুক্কা, ৭৮০ পিস ইয়াবা, ফ্রিজের ভেতর থেকে সিসা তৈরির সরঞ্জাম, রান্নাঘরের কেবিনেট থেকে বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়। তিনি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় বিক্রি করতেন। নিয়মিত মাদক ও গান-নাচের আসর বসাতেন বাসায়।

মোহাম্মদপুরে মৌয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মৌয়ের বাসা থেকে ৭৫০ পিস ইয়াবা ও ১২ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করতেন এবং লোকজনকে বাসায় এনে আসর বসাতেন। সেই আসরে মাদক বিক্রি করতেন তিনি।

  • সর্বশেষ