শিরোনাম
◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘আসুন, অন্তত এই লকডাউনটা সবাই সফল করি’

আমিরুল ইসলাম: [২] শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, সাধারণ মানুষকে বাঁচতে শিখতে হবে, থাকতে হবে ঘরে। মানুষ করোনা স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে দারুণ উদাসীন। তারা একে তো আত্মঘাতী, একই সঙ্গে বাঁচতেও শিখলো না।

[৩] ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায়ও মানুষ ঘরমুখী ছিলো। এতে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু আরও বাড়ার আশঙ্কা বেড়েছে। কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারকে যথেষ্ট কঠোর ও কঠিন হতে হবে। সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার পূর্বশর্ত হিসেবে সরকারকে তাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

[৪] সাধারণ মানুষ সরকারের কথা কিছুটা শুনলেও পথেঘাটে ধনীক শ্রেণির মানুষের বিচরণ সবচেয়ে বেশি। তাদের থামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

[৫] বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মনজুরুল আহসান খান বলেন, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত সবার। মানুষকে বাঁচাতে লকডাউন আরও কড়াকড়ি হওয়া উচিত। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক। ঈদে কিছুটা ছাড় দেওয়া ছাড়া সরকারের কোনো উপায় ছিলো না।

[৬] তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, নিজে ও পাশের মানুষকে ভালো রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মানা উচিত। মহামারির কারণে জীবন-জীবিকার মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ সমর্থন করি। পরিস্থতির কিছুটা উন্নতি হলে তখন বিধিনিষেধ শিথিল করা যেতে পারে।

[৭] সাধারণ মানুষকে স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে। সচেতন হতে হবে।

[৮] সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা তার ফেসবুক পেজে লেখেন, আসুন, অন্তত এই লকডাউনটা সবাই সফল করি। কঠোর লকডাউনে শহরে ফেরা মানুষ পড়েছেন মহা ভোগান্তিতে- এরকম বক্তব্যে মানবিক মনে হলেও করোনার ছোবল চিন্তা করলে মানবিক নয়।

[৯] বেশ আগে থেকেই বলা হয়েছে, কঠোর লকডাউন শুরু হবে ২৩ তারিখ সকাল ৬ টা থেকে। যারা বাইরে গিয়েছেন এবং এখন ঢাকায় ফিরছেন, তারা যদি সত্যি সত্যি করোনা স্বাস্থ্যবিধিকে পাত্তা দিতেন, যদি নিয়ম মানার লোক হতেন তবে এভাবে ঠাসাঠাসি করে উন্মাদনার সঙ্গে বাড়ি যেতেন না। এখন তাদের প্রতি কোমল হলেই লকডাউন ভেঙে পড়বে ধীরে ধীরে।

[১০] কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সরকারি প্রচেষ্টা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিশ্রম, চিকিৎসকদের ত্যাগ- সবকিছুকে কিছুটা হলেও মূল্য দিই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়