শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ০৪ জুলাই, ২০২১, ০৪:২৩ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুলাই, ২০২১, ০৪:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গোয়ালন্দের পদ্মা পাড়ের কালো মানিকের দাম ১৮ লাখ টাকা!

কামাল হোসেন : [২] ঈদুল আযহা সামনে রেখে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে কোরবানির জন্য ২৬ মণ ওজনের একটি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন এক খামারি। সাড়ে ৬ ফুট লম্বা ও সাড়ে ৮ ফুট ব্যাড়ে কালো রঙের গরুটির বয়স ৩বছর ২মাস। খামারি ফজলু মন্ডল ভালোবেসে এর নাম রেখেছেন কালো মানিক।

[৩] উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের মৃধাডাঙ্গা এলাকার তরুণ উদ্যোক্তা ফজলু মন্ডল বলেন, তিন বছর ২ মাস হলো আমার এই খামারে রেখে গরুটিকে লালন-পালন করছি। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় আদর করে এর নাম রেখেছি কালো মানিক।

[৪] ষাঁড়টি খুবই শান্ত প্রকৃতির। জন্মের পর থেকেই উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসের পরামর্শ মেনে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই শুধু দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় নাম আর আকারে বড় হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে ষাঁড়টিকে দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষজন খামারে ভিড় জমাচ্ছে।

[৫] ষাঁড়টি ২৬ মণ ওজন হওয়ায় দাম হাঁকানো হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। তবে এখন যেহেতু করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন চলছে সেহেতু বাজারের অবস্থা বুঝে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কমবেশি হতে পারে।

[৬] গোয়ালন্দ উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ফজলু মন্ডলের খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা কালো মানিক নামের ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করছি। আমাদের জানামতে, উপজেলায় এই ষাঁড়টিই এখন সবচেয়ে বড়।

[৭] উল্লেখ্য, ২০১২ সালের শেষের দিকে তিনটি গাভি দিয়ে খামারটি শুরু করেন ফজলুু মন্ডল। বর্তমানে খামারে ১৫টি ষাঁড় ও গাভী রয়েছে।

 

  • সর্বশেষ