শিরোনাম
◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান ◈ কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির ভিসা আবেদনে জালিয়াতির অভিযোগ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ এনসিপির ‘সুপার সিক্সটিন’ কী, কারা আছেন এই তালিকায় ◈ সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ◈ দেশে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এবার পুলিশের বিশেষ ইউনিট ◈ শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া সেই রুমির বার্তা, ‘আমাকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখার স্বপ্ন দেখো না’ ◈ অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের মুখোমুখি অবস্থান, নতুন করে উত্তেজনা ◈ আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে , জানা গেল কারণ ◈ ব্যাংকে আমানতের সুদ কমছে, সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখলে নিরাপদ ও বেশি লাভ? ◈ সৌদি আরবে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা যাচাই করছে সরকার

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২১, ০২:২৮ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২১, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আসিফ আকবর: কাজের সময় খুব বুনো টাইপ মানুষ হয়ে যাই আমি!

আসিফ আকবর: কাজের সময় খুব বুনো টাইপ মানুষ হয়ে যাই আমি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো চাপ নিতে পারি না। তবুও চাপ নেওয়া তো আর বন্ধ থাকে না। পরিবার, সমাজ রাষ্ট্রের সমস্ত সঙ্গতি অসঙ্গতি দৃষ্টিসীমার টার্গেটে থাকলেও নিজের বিশ্রামের প্রতি খুব স্বার্থপর হয়ে যাই। কারো বুদ্ধি কিংবা উপদেশ পেলে কর্ণে ধারণ করি, মস্তিষ্কের ওপর কনফিডেন্স রাখি। লাভ লসের হিসাব পরে, আগে নিজের স্যাটিসফ্যাকশন গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের কাজে সর্বোচ্চ সিরিয়াস হলেই নানান রকম অহেতুক ক্যাচাল শুরু হতে থাকে। এখন আগের মতো রেগে টং হয়ে যাই না, নিজেকে সংযত রেখে যথাসম্ভব চুপচাপ থাকি।

প্রতিদিন আশেপাশে সুখ-দুঃখ আনন্দ বেদনার কাব্যময়তা উপভোগ করি যাচ্ছি। হতোদ্যম হওয়ার মতো ঘটনাগুলো মাঝে মাঝে আত্মবিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দিতে চায়। শূন্য অবস্থানে থেকেও মুখে আনন্দের আভাটা মুছতে দিতে চাইনা। আমার আনন্দে থাকার ওপর নির্ভর করে অনেকের আনন্দ, এটা অনেক ভারী একটা বোঝা। তবুও দলছুট হতে দিই না কাউকে। কতোটা রাস্তা হেঁটে এ পর্যায়ে এসেছি, কতো অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এখন সংযত থেকে ম্যাচ্যুরড ডিসিশন নিতে চাই। করোনাকালীন এই লম্বা সময়টা আমাদের ক্রমাগত পেছন দিকে ঠেলে দিয়েছে, আমরা আপাতত জয়ের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে কিছুটা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম করছি। একা বাঁচলে হবে না, বেঁচে থাকতে চাই একসঙ্গে।

বাইশে জুন বেগমের জন্মদিন ছিলো। কাজের সময় তারিখ বার মনে থাকেনা, শুধু জানি চব্বিশ ঘণ্টায় একবার কাজের জন্য পেশাদারী হাজিরা দিতেই হবে। কঠিন মনসংযোগ প্রয়োজন। দু’দিন সতর্ক থেকেও ঠিকই ভুলে গেছি সময়মতো উইশ করতে। এরকম ভুল সাধারণত হয় না। বেগমের চাহিদা খুব ছোট, তাঁকে পঁয়ত্রিশ মিনিট লেইটে উইশ করে নিজেই বিব্রত। ফেসবুকে উনাকে উইশ আর করা হয়নি, সংক্ষিপ্ত পারিবারিক প্রজেক্ট চালু ছিল অবশ্য। আজ থেকে নাকি মারাত্মক লকডাউন চলবে। আমিও একটু পরিশ্রান্ত। খুব ভোরে বেগম আমাকে স্টুডিও থেকে ড্রাইভ করে বাসায় নিয়ে আসলেন। এতো লেখার পেছনে অবশ্য অন্য কোনো কারন নেই, বেগমের ড্রাইভিংটা ভাল লেগেছে। এজন্য একটা সেলফি তুললাম দুজনে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন। ভালোবাসা অবিরাম। লেখক : সংগীতশিল্পী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ