শিরোনাম
◈ আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ◈ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে দলের উচ্চপর্যায়ে: রিজভী ◈ রান্না করা মাংস কেন সবুজ হলো? ব্যাখ্যা দিলেন খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ◈ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় কী জানালেন আইনমন্ত্রী (ভিডিও)  ◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস ◈ মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিনামূল্যে ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজ, চালু হচ্ছে মেটার নতুন সুবিধা ◈ সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক, কী বলছে বাংলাদেশের সংবিধান ◈ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১০ লাখ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে সরকার, আসছে নজরদারিতে

প্রকাশিত : ০২ জুলাই, ২০২১, ০২:২৮ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২১, ০২:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আসিফ আকবর: কাজের সময় খুব বুনো টাইপ মানুষ হয়ে যাই আমি!

আসিফ আকবর: কাজের সময় খুব বুনো টাইপ মানুষ হয়ে যাই আমি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো চাপ নিতে পারি না। তবুও চাপ নেওয়া তো আর বন্ধ থাকে না। পরিবার, সমাজ রাষ্ট্রের সমস্ত সঙ্গতি অসঙ্গতি দৃষ্টিসীমার টার্গেটে থাকলেও নিজের বিশ্রামের প্রতি খুব স্বার্থপর হয়ে যাই। কারো বুদ্ধি কিংবা উপদেশ পেলে কর্ণে ধারণ করি, মস্তিষ্কের ওপর কনফিডেন্স রাখি। লাভ লসের হিসাব পরে, আগে নিজের স্যাটিসফ্যাকশন গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের কাজে সর্বোচ্চ সিরিয়াস হলেই নানান রকম অহেতুক ক্যাচাল শুরু হতে থাকে। এখন আগের মতো রেগে টং হয়ে যাই না, নিজেকে সংযত রেখে যথাসম্ভব চুপচাপ থাকি।

প্রতিদিন আশেপাশে সুখ-দুঃখ আনন্দ বেদনার কাব্যময়তা উপভোগ করি যাচ্ছি। হতোদ্যম হওয়ার মতো ঘটনাগুলো মাঝে মাঝে আত্মবিশ্বাসকে নড়বড়ে করে দিতে চায়। শূন্য অবস্থানে থেকেও মুখে আনন্দের আভাটা মুছতে দিতে চাইনা। আমার আনন্দে থাকার ওপর নির্ভর করে অনেকের আনন্দ, এটা অনেক ভারী একটা বোঝা। তবুও দলছুট হতে দিই না কাউকে। কতোটা রাস্তা হেঁটে এ পর্যায়ে এসেছি, কতো অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এখন সংযত থেকে ম্যাচ্যুরড ডিসিশন নিতে চাই। করোনাকালীন এই লম্বা সময়টা আমাদের ক্রমাগত পেছন দিকে ঠেলে দিয়েছে, আমরা আপাতত জয়ের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে কিছুটা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম করছি। একা বাঁচলে হবে না, বেঁচে থাকতে চাই একসঙ্গে।

বাইশে জুন বেগমের জন্মদিন ছিলো। কাজের সময় তারিখ বার মনে থাকেনা, শুধু জানি চব্বিশ ঘণ্টায় একবার কাজের জন্য পেশাদারী হাজিরা দিতেই হবে। কঠিন মনসংযোগ প্রয়োজন। দু’দিন সতর্ক থেকেও ঠিকই ভুলে গেছি সময়মতো উইশ করতে। এরকম ভুল সাধারণত হয় না। বেগমের চাহিদা খুব ছোট, তাঁকে পঁয়ত্রিশ মিনিট লেইটে উইশ করে নিজেই বিব্রত। ফেসবুকে উনাকে উইশ আর করা হয়নি, সংক্ষিপ্ত পারিবারিক প্রজেক্ট চালু ছিল অবশ্য। আজ থেকে নাকি মারাত্মক লকডাউন চলবে। আমিও একটু পরিশ্রান্ত। খুব ভোরে বেগম আমাকে স্টুডিও থেকে ড্রাইভ করে বাসায় নিয়ে আসলেন। এতো লেখার পেছনে অবশ্য অন্য কোনো কারন নেই, বেগমের ড্রাইভিংটা ভাল লেগেছে। এজন্য একটা সেলফি তুললাম দুজনে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন। ভালোবাসা অবিরাম। লেখক : সংগীতশিল্পী। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়