প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তিন বছর পর জবির প্রধান ফটকে গেইট নির্মাণ

অপূর্ব চৌধুরী: [২] প্রায় তিন বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকে লোহার গেইট স্থাপন করা হয়েছে। গত ২৯ জুন রাতে প্রধান ফটকে দুটি লোহার গেইট পুনরায় স্থাপন করতে দেখা যায়।

[৩] জানা যায়, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমদকে অপসারণের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট পালন করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা জবির মেইন গেইটে তালা লাগিয়ে দেয়।

[৪] পরবর্তীতে আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীরা যেন মেইন গেইটে তালা লাগাতে না পারে এজন্য লোহার গেইট খুলে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যদিও প্রশাসন বলে আসছে সংস্কারের জন্য খুলে রাখা হয়েছিল গেইটটি।

[৫] তবে দীর্ঘ তিন বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গেইট না থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীরা। এর আগে একাধিকবার প্রশাসনের নিকট লোহার গেইট লাগানোর জন্য দাবি জানানো হলেও গেইট স্থাপনের কাজটি আলোর মুখ দেখেনি। তবে দীর্ঘদিন পর পুনরায় আবার লোহার গেইট ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীরা।

[৬] সন্তোষ প্রকাশ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. লিমন হোসেন বলেন, প্রধান ফটকে গেইট পুননির্মাণের ফলে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য নিঃসন্দেহে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বহিরাগতদের চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীদের ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এখন প্রশাসনের কাছে আমার দাবি হলো ক্যাম্পাসের গেটের সামনের রাস্তায় যানবাহনের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে যেন যথাযথ পদক্ষেপ নেয়। এখানে প্রায়ই শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হয়।

[৭] জবির প্রধান ফটকের গেইট কিপার বাবুল মিয়া বলেন, গেইট ছিলো না প্রায় তিন বছর। প্রশাসন ক্রস বার সেট করে দিছিলো । আমরা সেটা দিয়েই দায়িত্ব পালন করছিলাম। নির্দিষ্ট গেইট না থাকার কারণে আমরা অনেক সময় অনেক বিড়ম্বনার শিকার হয়েছি।বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে। তবে নতুন গেইট নির্মাণ হওয়ায় এখন থেকে আর ওই সমস্যা সৃষ্টি হবে না আশা করি।

[৮] এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, নতুন উপাচার্য স্যার আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি প্রধান ফটকে লোহার গেইট পুনঃস্থাপন করতে বলেন। করোনাকালীন সময়ে যেনো বহিরাগতরা যত্রতত্র ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য গেইট নির্মান করা হয়েছে।

[৯] তবে দীর্ঘ তিন বছর কেন প্রধান ফটকে গেইট ছিলো এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি জানিনা।রেজিস্ট্রার স্যার ভালো বলতে পারবেন।

[১০] এবিষয়ে জানার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত