শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ত্রিমুখী হিসাব—ভারত শঙ্কিত, চীন হিসাবি, পাকিস্তান আশাবাদী ◈ এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইউরোপ নির্ভরতায় পোশাক রফতানি: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকি ◈ দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল ◈ মেয়াদের শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি: চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ◈ সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ঝুলন্ত পার্লামেন্ট, কোয়ালিশন সরকার, ক্ষমতা হস্তান্তর কিংবা সরকার গঠন- এগুলো কীভাবে হয় ◈ সারা দেশে গত ৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা হয়েছে ২৭৪টি : প্রেস উইং  ◈ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যেই প্রণীত জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ ◈ পাকিস্তান‌কে আই‌সি‌সির উ‌চিৎ শিক্ষা দেয়া উ‌চিৎ, বল‌লেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২১, ০৬:৫৫ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২১, ০৬:৫৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সুইস ব্যাংকে জমা থাকা বাংলাদেশিদের অর্থের অধিকাংশই প্রবাসী ও বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] কোনও দেশের গ্রাহকদের কী পরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে জমা আছে, তার একটি ধারণা প্রতিবছর এসএনবির বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া যায়। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের বাধ্যবাধকতা মেনে এসএনবি ওই তথ্য প্রকাশ করে। তবে সেখানে গ্রাহকের বিষয়ে কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। বাংলাদেশিদের সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ প্রায় ৭ শতাংশ কমলেও এখনও তা ১০টি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের সমান।

[৩] এসএনবি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের রাখা ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁর ৬৬ শতাংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের। আগের বছর তা ছিলো ৭০ শতাংশের বেশি। অর্থনীতিবীদ ড. আবু আহমেদও মনে করেন, এই অর্থের পুরোটাকে অবৈধ বলার সুযোগ নেই। কারণ যারা বিদেশে অর্থ আয় করেন, তারা বাংলাদেশের আইনের কারণে অর্থ দেশে আনতে চান না। কারণ একবার দেশে অর্থ আসলে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্ট নীতির কারণে বাইরে নেবার সুযোগ কম।

[৪] আবু আহমেদ বলেন, দেশে আনা টাকা বৈধ পথে বাইরে নেওয়া যায় খুব কম। শুধু শিক্ষা, শিল্প বা চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে খুব স্বল্প পরিমাণ অর্থ বিদেশে নেওয়া যায়। যতোদিন অর্থবাজার খুলে দেওয়া না হবে ততোদিন অবৈধ পথে অর্থ নেওয়া বন্ধ হবে না। বরং বাজার উন্মুক্ত হলে বিদেশ থেকে অর্থ আসবে, সরকারও করসহ বিভিন্ন ধরণের ফি আদায় করতে পারবে।

[৫] সুইজারল্যান্ড আগে গ্রাহকদের তথ্য প্রকাশ করতো না। তবে এখন তারা কিছু পরিসরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দেশটিতে করের পরিমাণ আগের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এসব অর্থ হন্ডুরাস, বার্বাডোজ বা ক্যানারি আইল্যান্ডের মতো পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত দেশগুলোতে চলে যাচ্চে। ড. আবু আহমেদ মনে করেন, এতেও লাভ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের। কারণ এসব দেশের ব্যাংকগুলোর মালিকানাও বিভিন্ন পশ্চিমা কোম্পানির। এ কারণে ৩য় বিশ্ব থেকে অর্থপাচার বন্ধ হচ্ছে না। কারণ একটি বৈশ্বিক চুক্তি ছাড়া তা বন্ধ করা অসম্ভব একটি বিষয়।

[৬] পাচার রোধে কমোডিটি ও প্রেসাস জুয়েলারি মার্কেট গড়ার দিকে নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন এই অর্থনীতিবীদ। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ছোট। জুয়েলারি ও প্রেসাস স্টোন কেনার সুযোগও কম, কেনা যায় না গোল্ড বার। বিনিয়োগ সুযোগও নেই। ফলে যারা অর্থ বেশি আয় করছেন, তাদের অে নকেই দেশের বাইরে অর্থ পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এই ধরনের বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলেও অর্থপাচার কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়