প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাজ্জাদ খান পরিচালিত ‘সাহস’ ছবিটি প্রদর্শন অযোগ্য ঘোষিত সেন্সর বোর্ডে

ইমরুল শাহেদ: সাজ্জাদ খান পরিচালিত ‘সাহস’ ছবিটি দেখে সেন্সর বোর্ড প্রদর্শন অযোগ্য ঘোষণা করেছে। ছবিটিতে রয়েছে লাগামহীন গালাগাল। সেন্সর বোর্ডের দৃষ্টিতে এটাই হলো ছবিটির প্রধান ত্রুটি। এই ছবিটিতে রয়েছেন ইমরান, অর্ষা, তুর্য এবং ফজলুল করিম নামে নতুন একটি ছেলে। ছবিটির শুটিং হয়েছে বাগেরহাটে। এই ছবিটি প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা শাপলা মিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির প্রোডাকশন প্রধান অপূর্ব রায় বলেন, ‘আমরা এখনো সেন্সর বোর্ডের কাছ থেকে কোনো চিঠি পাইনি।

পেলে বুঝতে পারব আসলে সমস্যাটা কোথায়। আসল কথা হলো চরিত্রগুলো তাদের ভাষাতেই কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। কোনো চরিত্রের গালাগাল যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে সেটা সংশোধন করে জমা দিতে বলতে পারে। কিন্তু একেবারেতো বাতিল করে দিতে পারে না।’ তিনি বলেন, চিঠি পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তারা আপিলে যাবেন কিনা। কোনো ছবি যদি সেন্সর বোর্ডে নিষিদ্ধ হয় বা প্রদর্শন অযোগ্য ঘোষিত হয় তাহলে সেটি আপিলে যাওয়ার নিয়ম রয়েছে। সাহস কোন পথ অবলম্বন করবে সেটা জানা যাবে পরে।

তবে লক্ষ্য করার বিষয় হলো অর্ষা অভিনীত একটি ওয়েব ফিল্মও অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিল। যে তিনটি ওয়েব ফিল্মকে কেন্দ্র করে সেই সময়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়াহিদ তারিকের ‘বুমেরাং’, সুমন আনোয়ারের ‘সদরঘাটের টাইগার’ ও শিহাব শাহীনের ‘আগস্ট ‘৪’। প্রতিবাদের মুখে প্রদর্শন বা প্রচার ক্ষেত্র থেকে বুমেরাং ও সদরঘাটের টাইগার সরিয়ে ফেলা হয়। অনেকটা সংশোধন করে রাখা হয় আগস্ট ১৪।

এ্যাপসে ছবি মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সেন্সর নেই। সেন্সর বিহীন মিডিয়ায় কাজ করে যারা অভ্যস্ত তারা জানেন না সেন্সরের আওতা কি? সেন্সর নীতিমালার সঙ্গেও তারা পরিচিত নন। অর্চিতা স্পর্শিয়া ‘নবাব এলএলবি’ ছবিতে লাগামহীন কাজ করতে গিয়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। মামলা থেকে তিনি কিভাবে রেহাই পেয়েছেন, সেটা তিনিই ভালো জানেন। অর্ষা অভিনীত সাহস ছবিটি সেন্সর বোর্ডে প্রদর্শন অযোগ্য বলে ঘোষিত হয়েছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত ছবিটির ভাগ্যে কি ঘটে?

সর্বাধিক পঠিত