প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অপরিকল্পিতভাবে খননের ফলে নদী হারাচ্ছে পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য

শিমুল মাহমুদ: [২] বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সহসভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, নদী রক্ষায় কোনো সামগ্রিক পরিকল্পনা নেই। ডেলটা প্ল্যানকে ভাবা হয়েছিল সামগ্রিক পরিকল্পনা হিসেবে। কিন্তু তা বাস্তবে দেখা যায়নি। নদনদী রক্ষার ক্ষেত্রে পুরোটাই অরাজক পরিস্থিতি চলছে।

[৩] যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার লকহ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. খালেকুজ্জামান বলেন, নদীতে ড্রেজিং করে নদীতেই ফেলা হচ্ছে। নদী খননে সঠিক নিয়ম মানতে হবে। বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা না করে লুটপাটের প্রকল্প নেওয়ায় সে প্রকল্প গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না।

[৪] বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তুহিন ওয়াদুদ বলেন, একটা নদীও পরিকল্পনা অনুযায়ী খনন করা হচ্ছে না। নদীকে খনন করতে হলে যা বিবেচনায় নেওয়া দরকার, তা আমলে নেওয়া হয় না।

[৫] জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, সমস্যাগুলো আগেও উঠে এসেছে। সবকিছু না জেনে ড্রেজিং করা যায় না। এখন আমাদের সমাধান খুঁজতে হবে। খননকাজ করতে গেলে হাইড্রোমরফজিক্যাল স্টাডি হচ্ছে কি না, তা দেখতে হবে।

[৬] তিনি বলেন, নদীর জন্য ভালো কাজ করতে পারলে তার সুফল সরকার পাবে। এ ক্ষেত্রে পেশাদারীত্ব দরকার। এ ক্ষেত্রে যারা দক্ষ, তাদের কাজে লাগাতে হবে। নননদীগুলোতে যে ধরনের ড্রেজিং হচ্ছে, তা সুব্যস্থাপনার মাধ্যমে হচ্ছে না। নদী খননে দুর্নীতি ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে নদীপারের মানুষের ওপর।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২১ উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) উদ্যোগে রোববার ‘বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা ও খনন’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত