প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ঘুরছে মানুষ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু

শিমুল মাহমুদ: [২] গত ৯ দিনে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৭৫ জন। শুক্রবার রেকর্ড ছাড়িয়েছে মৃত্যু। এদিন হাসপাতালটিতে মারা যান ১৬ জন। কঠোর লকডাউন ছাড়া অবস্থা নিয়ন্ত্রণে নেয়া কঠিন হবে বলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

[৩] রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁয় আক্রান্ত বাড়ছে। এ কারণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও রোগী ভর্তি বাড়ছে প্রতিদিন। শুক্রবার হাসপাতালটিতে ভর্তি ছিলেন ২২৫ জন। যা সক্ষমতার চেয়ে বেশি।

[৪] চুয়াডাঙ্গা জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫১ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার যাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের এক-চতুর্থাংশের বেশি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। এজন্য সীমান্তবর্তী সাতটি গ্রামের মানুষের চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

[৫] সবশেষ শনিবার থেকে সাতক্ষীরায় সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া কুষ্টিয়ায়ও লকডাউনের পরিকল্পনা রয়েছে। নওগাঁয় লকডাউন শুরুর দিনে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজশাহীতেও চলছে ২৪ ঘণ্টার কঠোর বিধিনিষেধ।

[৬] করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সাতক্ষীরায়। এক সপ্তাহে সংক্রমণ বেড়ে এখন চল্লিশ শতাংশের ওপরে শনাক্তের হার। এই পরিসংখ্যান ভাবিয়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসনকে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বৈঠকে সাতদিনের লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়।

[৭] উত্তরের সীমান্তবর্তী জনপদ নওগাঁর পৌর শহর ও নিয়ামতপুরে প্রশাসনের কড়াকড়ি সর্বত্র। শহরের প্রবেশপথগুলোয় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ।

[৮] কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ২১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় এই ফল জানা যায়। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর এটিই একদিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। একদিনে জেলায় মারা গেছেন দুজন।

[৯] বেনাপোল কেন্দ্রীক ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা যশোরে সবশেষ তিন দিনে শনাক্ত হয়েছেন ১৯২ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৬ শতাংশের ওপর। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের পরও সংক্রমণ ছড়ানোর এই হার উদ্বেগজনক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে কঠোর হয়েছে প্রশাসন। সম্পাদনা: সারোয়ার জাহান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত