শিরোনাম
◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি ◈ দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনী উত্তেজনা ◈ রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ◈ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় ইতালির পূর্ণ সমর্থন: জুলাই সনদের প্রশংসা ◈ জামিন প্রক্রিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন, ৮ জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু ◈ বাংলা চলচিত্রের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই ◈ আজ বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা

প্রকাশিত : ০৪ জুন, ২০২১, ০১:৩৯ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২১, ০১:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফিরে দেখা: পদ্মানদীর মাঝি ও গৌতম ঘোষ

ইমরুল শাহেদ: ঢাকার চলচ্চিত্রে কলকাতার চিত্রনির্মাতা গৌতম ঘোষের নামটি বেশ সুপরিচিত। প্রযোজক হাবিব খানের প্রযোজনায় গৌতম ঘোষ এদেশে ‘পদ্মানদীর মাঝি’। গৌতম ঘোষ যখন পদ্মানদীর মাঝি নির্মাণ করেন তখন আমি সাপ্তাহিক বিচিত্রায় কর্মরত। আমাকে বলা হলো ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নিয়ে বিচিত্রার জন্য একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন লিখতে হবে। লিখেছিলাম। তাতে ছবিটির লোকেশনের যেমন বর্ণনা ছিল, তেমনি পদ্মানদীর মাঝির আদ্যোপান্তও ছিল। সঙ্গে ছিল গৌতম ঘোষের একটি সাক্ষাৎকার।

তিনি বলেছিলেন, ‘ছবি নির্মাণ করতে গিয়ে দেখলাম পদ্মা প্রতি মুহূর্তেই বদলে যাচ্ছে।’ পদ্মার মতই আমাদের জীবনযাত্রাও। কিন্তু পরিচালক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্ণনানুসারে দৃশ্যাবলী চিত্রায়িত করতে। লেখকের বর্ণনায় রয়েছে, কুবের মাঝি যখন ইলিশ মাছের নৌকা নিয়ে তীরের দিকে আসতে থাকেন তখন ভোরের সূর্যালোক মাছের আমিষের উপর পড়ে চিকচিক করে উঠে। এই ছবিটির নির্মাণ কাজ শেষ করার পর এফডিসিতে একটি শো করা হয়। এরপর এই চিকচিক করার বিষয়টি নিয়ে লেখার পর গৌতম ঘোষ আমার ওপর প্রচণ্ড ক্ষেপে যান। সেটা বুঝতে পারলাম কলকাতা গিয়ে।

তিনি সপরিবারে স্বদ্বীপ রায়ের ‘টার্গেট’ ছবির সেটে আসেন ইন্দ্রপুরী ষ্টুডিওতে চম্পার সঙ্গে দেখা করতে। পদ্মানদীর মাঝি ছবিতে চম্পা মালা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ইন্দ্রপুরীতে তখন আমিও উপস্থিত ছিলাম। আমি তাকে ‘হ্যালো’ বললাম। তিনি আমার দিকে তাকালেনও না। সেটে তিনি আধা ঘণ্টা ছিলেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু বলা গেল না। তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে আরো পরে। ততো দিনে তার উপলব্ধি হয়েছে যে, আমার কথাই সঠিক ছিল।

পদ্মানদীর মাঝি বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পাওয়ার পর তার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল ঢাকা বিমানবন্দরে। তিনি কলকাতার বিমানের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, দর্শক প্রতিক্রিয়া কেমন পেলেন দাদা। জবাবে তিনি বলেন, ‘তোমাদের দেশে আমাকে আরেকটি ছবি বানাতে হবে।’ বানিয়েছিলেন ‘মনের মানুষ।’ সেই সময় তার সঙ্গে আমার অনেক বার দেখা হয়েছে। অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু সে সব আর লেখা হয়নি। প্রশ্ন হচ্ছে, পদ্মাদনীর মাঝি উপন্যাসটি ইংরেজী অনুবাদ করে চিত্রায়িত করার জন্য ইউরোপীয় নির্মাতা আঁন্দ্রে ওয়াজদার কাছে পাঠানো হয়েছিল। জবাবে তিনি জানান, ‘প্রথমত আমি ইলিশ মাছের ইথোজ বুঝি না। দ্বিতীয়ত যে দেশে সত্যজিৎ রায় রয়েছে, সে দেশে গিয়ে ইলিশ নিয়ে ছবি বানাবার মতো দুঃসাহস আমার নেই।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়