প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিএসএমএমইউ উপচার্যকে ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক গ্রন্থ উপহার দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শাহীন খন্দকার: [২] শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বাসভবনে “ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক গ্রন্থ” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এর হাতে তুলে দেন। এসময় বিএসএমএমইউ’র উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সমরেশ চন্দ্র সাহা উপস্থিত ছিলেন।

[৩] সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক গ্রন্থে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিখেছেন, ‘একজন অমায়িক মানুষ ছিলেন ওয়াদুদ সাহেব। ছোটবেলা থেকেই তাঁকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে চিনতাম।… জাতির পিতার সঙ্গে ভাষা-আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন।… দেশের জন্য তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁকে ওয়াদুদ চাচা বলে ডাকতাম।’

[৪] উল্লেখ্য, ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ হলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি’র পিতা। অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী এম এ ওয়াদুদ কর্মজীবনে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার কর্মাধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি পূর্ব পাকিন্তান মুসলিম ছাত্রলীগ (১৯৪৮) ও কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলার (১৯৫৬) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

[৫] তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে সমগ্র জীবন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্যাগী ও নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। এম এ ওয়াদুদ ১৯৫৩-৫৪ সালে প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। দুইবার নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও একবার প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের দায়িত্বও তিনি নিষ্ঠা ও সাফল্যের সাথে পালন করেন। [৬] ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ১৯৪৮ সালে একবার এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত দ্বিতীয়বার কারাবরণ করেন। ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ ১৯২৫ সালের ১লা আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৩ সালের ২৮ আগস্ট মুত্যুবরণ করেন। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত