শিরোনাম
◈ মব–গণপিটুনিতে জানুয়ারিতে নিহত বেড়ে দ্বিগুণ, বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশ: এমএসএফের প্রতিবেদন ◈ মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলায় বিক্রি ৩৯৩ কোটি টাকা ◈ আর্থিক ধসের মুখে জাতিসংঘ, সদস্য দেশগুলোকে গুতেরেসের জরুরি চিঠি ◈ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের স্থান চূড়ান্ত, কাজ শুরু শিগগির ◈ জাইমা রহমানকে সামনে এনে কী বার্তা দিচ্ছে বিএনপি ◈ এ মৌসুমের জন্য শেষ হলো পর্যটকদের সেন্টমার্টিন যাত্রা, ফের ভ্রমণে ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা ◈ নির্বাচন ঘিরে পার্শ্ববর্তী দেশ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: নাহিদ ইসলাম ◈ ১২ ঘন্টার মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না হলেই বুঝবো অসৎ কোনো উদ্দেশ্য আছে : মির্জা আব্বাস  ◈ যারাই বিভ্রান্ত করতে আসবে দেখামাত্র বলবেন, ‘গুপ্ত’ তোমরা: তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া উৎসব ভাতা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং একটি সাম্প্রদায়িকতার চেহারা

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম একবার কোলকাতার এক স্কুলে আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে কবিতা পড়তে এবং গান গাইতে গিয়েছিলেন। বিপ্লবী নজরুল যেখানেই যেতেন, সেখানেই তিনি কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীসহ অন্যদের দারুণ মাতিয়ে রাখতে পারতেন। তো, সেই স্কুলে নজরুল গান গাইলেন, কবিতা পড়লেন। সেখানে এক কিশোরী নজরুলের দ্বারা এতোই প্রাণিত হয়েছিলো যে, শেষ পর্যন্ত সে গলা থেকে তার সোনার মালাটা খুলে নজরুলকে উপহার দিয়েছিলো। এভাবে নজরুলকে সে জানিয়েছিলো প্রাণঢালা অভিনন্দন আর ভালবাসা। কিন্তু সেই মেয়ের পরিণতি? প্রশ্ন উঠেছিলোঃ কি করে এক হিন্দু মেয়ে এক মুসলমান কবিকে গলার মালা খুলে দেয়? ছি ছি রব উঠেছিলো চারিদিকে। সমাজের তীব্র ধিক্কারে জর্জরিত হতে হয়েছিলো সেই মেয়েটাকে। আর সেই ধিক্কার এতোটাই অসহ্য হয়ে উঠেছিলো যে, শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলো। এই হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার এক চেহারা (একমাত্র চেহারা না হলেও), যার ইতিহাস এখনও শেষ হয় নাই মোটেই। ভারতেও না, বাংলাদেশেও না (যেখানে হিন্দুবিদ্বেষ বিভিন্ন মাত্রায় ও পরিসরে বিরাজ করে--ভূমিতে ও ভাষায়, মগজে ও মননে, অচেতনেও)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়