শিরোনাম
◈ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ◈ কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান, ২০ জনের কারাদণ্ড ◈ নোয়াখালীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ◈ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পযর্ন্ত ততদিন চব্বিশ চলবে: শেরপুরে শফিকুর রহমান ◈ কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর যুবদলের আহব্বায়ক সহ ৮ নেতা বহিষ্কার ◈ নতুন বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক হারে বরাদ্দ বাড়াল ভারত ◈ বাঘারপাড়ায় বিপুল অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার ◈ নরসিংদীর ঘোড়াশালে আড়াই বছরের  শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ ◈ ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী পথসভায় মির্জা ফখরুল: এবার নির্বাচন কেউ বন্ধ করতে পারবে না ◈ যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে আঞ্চলিক যুদ্ধের হুঁশিয়ারি খামেনির

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং একটি সাম্প্রদায়িকতার চেহারা

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম একবার কোলকাতার এক স্কুলে আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে কবিতা পড়তে এবং গান গাইতে গিয়েছিলেন। বিপ্লবী নজরুল যেখানেই যেতেন, সেখানেই তিনি কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীসহ অন্যদের দারুণ মাতিয়ে রাখতে পারতেন। তো, সেই স্কুলে নজরুল গান গাইলেন, কবিতা পড়লেন। সেখানে এক কিশোরী নজরুলের দ্বারা এতোই প্রাণিত হয়েছিলো যে, শেষ পর্যন্ত সে গলা থেকে তার সোনার মালাটা খুলে নজরুলকে উপহার দিয়েছিলো। এভাবে নজরুলকে সে জানিয়েছিলো প্রাণঢালা অভিনন্দন আর ভালবাসা। কিন্তু সেই মেয়ের পরিণতি? প্রশ্ন উঠেছিলোঃ কি করে এক হিন্দু মেয়ে এক মুসলমান কবিকে গলার মালা খুলে দেয়? ছি ছি রব উঠেছিলো চারিদিকে। সমাজের তীব্র ধিক্কারে জর্জরিত হতে হয়েছিলো সেই মেয়েটাকে। আর সেই ধিক্কার এতোটাই অসহ্য হয়ে উঠেছিলো যে, শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলো। এই হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার এক চেহারা (একমাত্র চেহারা না হলেও), যার ইতিহাস এখনও শেষ হয় নাই মোটেই। ভারতেও না, বাংলাদেশেও না (যেখানে হিন্দুবিদ্বেষ বিভিন্ন মাত্রায় ও পরিসরে বিরাজ করে--ভূমিতে ও ভাষায়, মগজে ও মননে, অচেতনেও)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়