শিরোনাম
◈ পাকিস্তানে ট্রাক খালে পড়ে একই পরিবারের ১৪ জনের মৃত্যু ◈ ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফায় চট্টগ্রাম বন্দর ◈ ইরান সরকার পতনে বিশ্ববাসীর সহায়তা চাইলেন রেজা পাহলভি ◈ পিএসএলভি ব্যর্থতায় ধাক্কা, মহাকাশ মিশনে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে ভারত ◈ জামায়াত আমিরের ‘রহস্যময়’ পোস্ট! ◈ বাংলাদেশকে যে সুখবর দিয়েছে কুয়েত সরকার ◈ ১৩তম সংসদ নির্বাচন: বিএনপির দাবির পর পোস্টাল ব্যালটের নকশা বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন ◈ নির্বাচনি ইশতেহার: প্রতিশ্রুতির কাগজ, নাকি জবাবদিহিতার হাতিয়ার? ◈ হাড্ডাহা‌ড্ডি লড়াই‌য়ে সিলেট টাইটান্স‌কে হারিয়ে ‌বি‌পিএ‌লের কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ◈ মির্জা ফখরুলকে দেখেই দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন তারেক রহমান (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ২৬ মে, ২০২১, ১১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং একটি সাম্প্রদায়িকতার চেহারা

আজফার হোসেন: কবি কাজী নজরুল ইসলাম একবার কোলকাতার এক স্কুলে আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে কবিতা পড়তে এবং গান গাইতে গিয়েছিলেন। বিপ্লবী নজরুল যেখানেই যেতেন, সেখানেই তিনি কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণীসহ অন্যদের দারুণ মাতিয়ে রাখতে পারতেন। তো, সেই স্কুলে নজরুল গান গাইলেন, কবিতা পড়লেন। সেখানে এক কিশোরী নজরুলের দ্বারা এতোই প্রাণিত হয়েছিলো যে, শেষ পর্যন্ত সে গলা থেকে তার সোনার মালাটা খুলে নজরুলকে উপহার দিয়েছিলো। এভাবে নজরুলকে সে জানিয়েছিলো প্রাণঢালা অভিনন্দন আর ভালবাসা। কিন্তু সেই মেয়ের পরিণতি? প্রশ্ন উঠেছিলোঃ কি করে এক হিন্দু মেয়ে এক মুসলমান কবিকে গলার মালা খুলে দেয়? ছি ছি রব উঠেছিলো চারিদিকে। সমাজের তীব্র ধিক্কারে জর্জরিত হতে হয়েছিলো সেই মেয়েটাকে। আর সেই ধিক্কার এতোটাই অসহ্য হয়ে উঠেছিলো যে, শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছিলো। এই হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার এক চেহারা (একমাত্র চেহারা না হলেও), যার ইতিহাস এখনও শেষ হয় নাই মোটেই। ভারতেও না, বাংলাদেশেও না (যেখানে হিন্দুবিদ্বেষ বিভিন্ন মাত্রায় ও পরিসরে বিরাজ করে--ভূমিতে ও ভাষায়, মগজে ও মননে, অচেতনেও)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়