শিরোনাম
◈ বাইডেনের স্বাক্ষরিত অটোপেন আদেশ বাতিল করবেন  ট্রাম্প   ◈ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা জানাল বিএনপি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ক্রিকেটে ভারত - পা‌কিস্তান যুদ্ধ ◈ মায়ের সংকটাপন্ন অবস্থায় দেশে ফেরার আহ্বান: ‘একক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না’, ফেসবুকে তারেক রহমান ◈ যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে গিয়ে ইউরোপ-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক শীতল: বাণিজ্যে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ ◈ ভূমিকম্পে ঢাকার কোন এলাকা নিরাপদ? ◈ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না, সবাই দোয়া করবেন: আইন উপদেষ্টা ◈ গুগলকে কনটেন্ট সরাতে অনুরোধের সংখ্যা নিয়ে সরকারের ব্যাখ্যা ◈ জামায়াতকে ভোট দিলে আমার মৃতদেহ পাবেন : ফজলুর রহমান (ভিডিও) ◈ প্রধান উপদেষ্টার প্রতি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২১, ০৪:২৯ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০২১, ০৪:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুব্রত বিশ্বাস: অর্থনীতি চাঙা করতে যা করা যেতে পারে

সুব্রত বিশ্বাস: অর্থনীতির স্বাস্থ্য সম্বন্ধে সত্যগুলো বদলায় না। কর্মসংস্থানের হার, কৃষিক্ষেত্র বিপর্যস্ত, শিল্প, অধিকাংশ ব্যাংকের অবস্থা উদ্বেগজনক। অর্থনীতির কেন এমন অবস্থা, গত কয়েক বৎসর সেই তর্ক চলছে। পুরাতন বিতর্কগুলো আপাতত বকেয়া রেখে সংশোধনে মনোনিবেশ করাই উচিত। বস্তুত, যে শক্তিশালী রাষ্ট্রের আকাক্সক্ষা প্রকাশ করছে, সেই ইচ্ছাপূরণ করা উচিত কিনা, সে তর্ক পাশে সরাই রাখলে বলতে হয়, মজবুততর শক্তি হয়ে উঠবার জন্যও অর্থনীতির স্বাস্থ্যোদ্ধার প্রয়োজন। কীভাবে সেই কাজ শুরু করা সম্ভব, অর্থনীতির পাঠ্যপুস্তক তার হদিস দিতে পারে। শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াবার জন্য দুইমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন এক দিকে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি করতে হবে, অন্য দিকে শিল্পে ঋণ সহজলভ্য করতে হবে।

রাষ্ট্রকে প্রয়োজনে মাটি খুঁড়বার জন্য ব্যয় করতে হবে, এবং সেই গর্ত ফের ভরাট করবার জন্যও ব্যয় করতে হবে। অতো দূর যাওয়ার দরকার নেই, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি একটি সাময়িক অস্ত্র। সেই পথে বিপদও আছে বাংলাদেশ  রাজকোষের পরিস্থিতি সুবিধাজনক করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারও অস্থির ও অনিশ্চিত। ঋণের ওপর সুদের হার কমাবার কথাও রিজার্ভ ব্যাংক আরো ভেবে দেখতে পারে। এখনও মূল্যস্ফীতির হার অত্যন্ত কম, এই একটি সুবিধা রইছে। তবে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানসূত্রের কথা ভাবতে হলে সংস্কার ভিন্ন গতি নেই।

গত পাঁচ বৎসরে বিশেষ আর্থিক সংস্কার প্রত্যক্ষ করেনি। এই বার নতুন উৎসাহে সংস্কারের পথে হাঁটুন। গভীরতম সমস্যাটি কৃষি উৎপাদন সামগ্রী সংরক্ষণ এবং বিপণন ব্যবস্থা। বৎসরে যতো কৃষি-হয়, তাতে সেই সমস্যার মাপটি বোঝা সম্ভব। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি অথবা ঋণ মকুবের রাজনীতিতে কৃষির সমস্যা মিটবে না। কৃষিক্ষেত্রেও সংস্কার অতি জরুরি। কৃষি বিপণনকে একটি সংগঠিত রূপ দেওয়া প্রয়োজন। ফসল বিমা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত এবং সরকারের  সবসময় কৃষির পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে তাদের বাঁচানোর কৃষিক্ষেত্রে সংগঠিত ঋণ সহজলভ্য হওয়া প্রয়োজন এবং, চুক্তিচাষ বিষয়ক ছুতমার্গ এই একটি প্রশ্নে কৃষক ভুল পথে হাঁটছে। তাতে কৃষকের উপকার হয় না। এবার বাস্তবের সম্মুখীন হওয়া দরকার। দ্বিতীয় দফায় মূল চ্যালেঞ্জই হলো, রাজনীতির হিসাবগুলো ভুলে অর্থনীতিকে তার প্রাপ্য গুরুত্ব দেওয়া। ভোটের খাতায় অর্থনীতি আপাত ভাবে যতোই গুরুত্বহীন হোক না কেন, তাকে অবহেলা করা মারাত্মক। সাধারণ মানুষ তার জটিল সমীকরণ না-ও বুঝতে পারে, মানুষের সর্বোচ্চ প্রতিনিধি হিসাবে সেই অঙ্কে মনোনিবেশ করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। লেখক : ব্যবসায়ী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়