প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভ্যাকসিন প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে হতাশা ব্যক্ত করেছেন চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: [২] বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের প্রশ্ন উত্তরে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় ভ্যাকসিন পেতে দেরি হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ শুধু যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া।

[৩] চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি সিনোফার্মের ভ্যাক্সিন বণিজ্যিকভাবে পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইলপত্র তৈরিতে বেশ সময় লাগছে। কাগজপত্র চূড়ান্ত না হলে প্রক্রিয়াও শেষ হবে না।

[৪] রাষ্ট্রদূত আমাকে ফোন করেছেন, টেক্সট করেছেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব, মুখ্য সচিবকে পাঠিয়ে দিয়েছি, তাগাদা দেওয়ার জন্য।

[৫] চীন লেটার অফ কমিটমেন্ট, সেলস অ্যাগ্রিমেন্ট ও ননডিজক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট পাঠিয়ে ছিল। এর মধ্যে দুটি ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করে আমরা পাঠিয়েছি।

[৬] রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে মস্কো যে বিষয়গুলো পছন্দ করে না, সেই কাজগুলো করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে কিছু ডকুমেন্ট সই হয়েছে এবং কিছু হয়নি।

[৭] শুরুতে টিকার একটি সংখ্যা বলা হয়েছিল এবং পরে আবারও সংখ্যা বদল করা হলো। রাশিয়ানরা এটি পছন্দ করে না।

[৮] যত দ্রুত চুক্তি করা যায় বাংলাদেশের জন্য ততই ভালো জানিয়ে চীনের কূটনৈতিক সূত্র বলছে, চীনও চায় বাংলাদেশ দ্রুত ভ্যাকসিন পাক। তারা ভ্যাকসিন দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সিনোফার্মের ভ্যাক্সিনের চাহিদা থাকায় বাংলাদেশ আরো পিছিয়ে যাচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত