শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষ নেবে না : মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে: প্রধান উপদেষ্টা ◈ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা: ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ◈ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ◈ স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? ◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ 

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২১, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ১৭ মে, ২০২১, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মো. শামসুল ইসলাম: মিডিয়ার যুদ্ধ

মো. শামসুল ইসলাম: আধুনিক যুদ্ধের এক বড় অংশ হচ্ছে মিডিয়ার যুদ্ধ। শুধু conventional warfare এ নয় information warfare এও প্যালেস্টিনিয়ানরা হেরে যাচ্ছে। তাদের হয়ে মুসলিমরা মেইনস্ট্রিম বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেট করতে পারছে না।

শুধু প্যালেস্টাইনে নয়। বিশ্বের অনেক দেশেই মুসলিমরা বিনা কারণেই নির্যাতিত হচ্ছে, নৃশংসতার শিকার হচ্ছে। শিশুদের লাশ পাওয়া যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে। হচ্ছে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার - মধ্যপ্রাচ্য থেকে মিয়ানমার কোথায় নয়?

পশ্চিমা সাংবাদিকতার অদ্ভুত কোড অব এথিকসে তাদের উপর নির্যাতনের মিডিয়া কভারেজ আটকে যায়। মুসলিম দেশগুলো চেয়ে চেয়ে দেখে।

দায়ী কে? আমার দৃষ্টিতে মুসলিমরা নিজেরাই। মুসলিম দেশগুলোতে সোশ্যাল সায়েন্সে পড়াশোনা নাই। লেখালেখি নাই। কূটনৈতিক প্রজ্ঞা নাই। ট্রাম্পের শেষ দিকে কয়েকটি আরবদেশের রাজা-বাদশার সাথে ইসরায়েলের শান্তিচুক্তি নিয়ে সবার কি আশাবাদ! আমি হেসে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম।

আরব তথা মুসলিম দেশগুলোর সেকুলারিস্টরা আবার একডিগ্রী উপরে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রায়নের তারা অন্যতম বিরোধী (পাছে ইসলামিস্টরা ক্ষমতায় আসে), অন্যদিকে পশ্চিমাদের তথাকথিত গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাক্স্বাধীনতার আর সেকুলারিজমের ধারণার তারা বিশাল সমর্থক। এত সমর্থন দেখে পশ্চিমারাও বোধহয় ঘাবড়ে যায়। ন্যাস ডেইলির ন্যাসের মত পশ্চিমা আর মোসাদের অর্থপুষ্ট বুদ্ধিজীবীদের তাই দেশে বিদেশে বড় কদর।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তন ঘটছে। ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটছে। আরো বিস্ময়কর হলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মুসলিম বিরোধী ঐক্য বাড়ছে। মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ইসরাইলের দারুণ সখ্যতা। যে ভারত একসময় ছিল জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আর ফিলিস্তিনি স্বাধীকারের সমর্থক, তারা আজ ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশে বিদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের হয়ে লড়াই করছে।

ধর্ম যে এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর মুসলিম দেশগুলো তা এখনো বুঝতে পারছে না। ওআইসি এখনো নিস্ক্রিয়। এত ধনসম্পদ নিয়েও মুসলিম দেশগুলো দেশে দেশে তাদের স্বজাতির রক্তক্ষরণ দেখছে। আজ একদেশে, কাল আরেকদেশে।
নাম বদলেও তারা কিন্ত রক্ষা পাবে না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়