শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২১, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ১৭ মে, ২০২১, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মো. শামসুল ইসলাম: মিডিয়ার যুদ্ধ

মো. শামসুল ইসলাম: আধুনিক যুদ্ধের এক বড় অংশ হচ্ছে মিডিয়ার যুদ্ধ। শুধু conventional warfare এ নয় information warfare এও প্যালেস্টিনিয়ানরা হেরে যাচ্ছে। তাদের হয়ে মুসলিমরা মেইনস্ট্রিম বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেট করতে পারছে না।

শুধু প্যালেস্টাইনে নয়। বিশ্বের অনেক দেশেই মুসলিমরা বিনা কারণেই নির্যাতিত হচ্ছে, নৃশংসতার শিকার হচ্ছে। শিশুদের লাশ পাওয়া যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে। হচ্ছে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার - মধ্যপ্রাচ্য থেকে মিয়ানমার কোথায় নয়?

পশ্চিমা সাংবাদিকতার অদ্ভুত কোড অব এথিকসে তাদের উপর নির্যাতনের মিডিয়া কভারেজ আটকে যায়। মুসলিম দেশগুলো চেয়ে চেয়ে দেখে।

দায়ী কে? আমার দৃষ্টিতে মুসলিমরা নিজেরাই। মুসলিম দেশগুলোতে সোশ্যাল সায়েন্সে পড়াশোনা নাই। লেখালেখি নাই। কূটনৈতিক প্রজ্ঞা নাই। ট্রাম্পের শেষ দিকে কয়েকটি আরবদেশের রাজা-বাদশার সাথে ইসরায়েলের শান্তিচুক্তি নিয়ে সবার কি আশাবাদ! আমি হেসে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম।

আরব তথা মুসলিম দেশগুলোর সেকুলারিস্টরা আবার একডিগ্রী উপরে। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রায়নের তারা অন্যতম বিরোধী (পাছে ইসলামিস্টরা ক্ষমতায় আসে), অন্যদিকে পশ্চিমাদের তথাকথিত গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাক্স্বাধীনতার আর সেকুলারিজমের ধারণার তারা বিশাল সমর্থক। এত সমর্থন দেখে পশ্চিমারাও বোধহয় ঘাবড়ে যায়। ন্যাস ডেইলির ন্যাসের মত পশ্চিমা আর মোসাদের অর্থপুষ্ট বুদ্ধিজীবীদের তাই দেশে বিদেশে বড় কদর।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তন ঘটছে। ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটছে। আরো বিস্ময়কর হলো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মুসলিম বিরোধী ঐক্য বাড়ছে। মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ইসরাইলের দারুণ সখ্যতা। যে ভারত একসময় ছিল জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আর ফিলিস্তিনি স্বাধীকারের সমর্থক, তারা আজ ইসরাইলের পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশে বিদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের হয়ে লড়াই করছে।

ধর্ম যে এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর মুসলিম দেশগুলো তা এখনো বুঝতে পারছে না। ওআইসি এখনো নিস্ক্রিয়। এত ধনসম্পদ নিয়েও মুসলিম দেশগুলো দেশে দেশে তাদের স্বজাতির রক্তক্ষরণ দেখছে। আজ একদেশে, কাল আরেকদেশে।
নাম বদলেও তারা কিন্ত রক্ষা পাবে না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ