প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুজেস্তা নূর-ই নাহারিন: বাবুল আক্তারের মত চৌকস পুলিশ অফিসারের এতো আনাড়ি খুন !!!

খুজেস্তা নূর-ই নাহারিন: ১) রাস্তায় সিসি টিভির অবস্থান জানা ছিল না, রেইকি করাননি কেন ? হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ খোঁজা হবে জানা কথা।

২) যেই মুসা তাঁর বাড়িতে বাজার সদাই করতো তাঁকে দিয়েই খুন ?

৩) খুন হওয়ার পরে মুসাকে ফোন দিয়ে বলল কোপাইলি কেন ? ১৭ সেকেন্ডের ফোন রেকর্ড। এতোটা আত্মভোলা অন্য কারো নামের ফোনটা ব্যাবহার না করে নিজের ফোনটাই ব্যাবহার করলো।সে তো জানতোই তাঁর ফোন রেকর্ড হচ্ছে।

৪) মা’কে সন্তানদের সামনে নৃশংস খুন করার পরিকল্পনা একজন পাষণ্ড সাইকো অমানুষের পক্ষেই সম্ভব কিন্তু তিনিও তো সেই সন্তানদেরই পিতা ছিলেন।নিজের সন্তানদের মনে এতো বড় আঘাত কি করে দিলেন ?

৫) গায়ত্রী অমর শিং এর সাথে যে প্রেম কাহিনী বলা হচ্ছে তা তো ”কাহানী ঘর ঘর কি” র মতোই সাধারণ ঘটনা। পারিবারিক কলহ হওয়া স্বাভাবিক। এর জন্য খুন কেন করতে হবে ?

৬) মিতুর সাথেও এক নামকরা ব্যবসায়ী পুত্রের প্রেম কাহিনী চাউর হচ্ছে যদিও মিতুর পরকীয়া প্রেম আমার কাছে বিশ্বাস যোগ্য নয়। কারণ ওর বেশভুসা জীবন যাপন সবকিছুতেই সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের দায়িত্ববান এক তরুণী মায়ের প্রতিচ্ছবি।
যে ব্যবসায়ী পুত্রের কথা বলা হচ্ছে এদের নজর কারার জন্য শত শত তন্বী মডেল আর সুন্দরী নায়িকারা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। তবে বেচারা সাধারণ মধ্যবিত্ত চেহারার মিতু কেন ? কিছুতেই নয় । ভেতরে নিশ্চয়ই অন্য কোন ঘটনা, অন্য কোন হিসেব।
যদি দুজনের বনিবনা নাই হয় ডিভোর্সের মাধ্যমে সহজ সমাধান হতে পারতো ।সেই ক্ষেত্রে সমঝোতার মাধ্যমে নতুন করে জীবন শুরু করার পথও খোলা থাকতো ।সন্তানরাও মা’ হারা হতো না।

৭) ৫ বছরে একবারও কেন বাবুল আক্তার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো না? উপরন্তু ছোট্ট দুই শিশুকে নিজের কাছে রেখে মানুষ করছে।

৮) মিতু হত্যাকান্ডের কিছুদিন আগে জঙ্গি হামলায় আহত হন বলে দাবি করেন বাবুল আক্তার ।স্ত্রীর মৃত্যুর পর যে আচরণ ছিল, তা ছিল সবচেয়ে আপনজন হারানোর বেদনা । তার কথা বিশ্বাস করেছিলেন সবাই।

সব কিছুতেই ধোঁয়াশা ! ষড়যন্ত্রের তীব্র গন্ধ ! তৃতীয় পক্ষ কেউ নেই তো ???
মিতু মারা গেলে কার লাভ কার ক্ষতি ? বাবুল আক্তারের ফাঁসি হলে কার লাভ কার ক্ষতি ?
সোর্স মুসাও নিরুদ্দেশ । মুসা এবং তাঁর সহযোগীর কপালে কি ঘটেছিল জানা দরকার।

জঙ্গিদের ত্রাস ছিলেন মেধাবী পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তিনবার সেরা অফিসারের পদক পেয়েছিলেন। সৎ অফিসার হিসেবে তাঁর সুনাম ছিলো।

মনে প্রাণে চাইছি নৃশংস মিতু হত্যাকাণ্ডে স্বামী বাবুল আক্তার দোষী সাব্যস্ত না হোক। তাহলে কোন স্ত্রী আর স্বামীকে বিশ্বাস করতে পারবে না। সন্তানরা পিতার উপর নির্ভরশীল হতে পারবে না।

এ কেমন জীবন কেমন সম্পর্ক যেখানে প্রচণ্ড নির্ভরতার মানুষটিও প্রতারক ঘাতক !!
সাধারণ ক্ষমতাহীন মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি মেয়েকে হত্যা করা কি খুব বেশী জরুরী হয়ে পরেছিল ? মেধাবী বাবুল আক্তার কেন হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী স্টেপগুলো চিন্তা করলেন না ?

জঙ্গি দমনসহ চট্টগ্রামে বড় বড় অবৈধ অস্ত্র ও সোনা চোরা চালানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বাবুল আক্তারের, এই সব ঘটনাগুলোকেও তদন্তের আওতায় আনা জরুরী বলে মনে করি।

প্রকৃত দোষী ব্যক্তি পর্দার আড়াল থেকে বেড়িয়ে আসুক, শাস্তি পাক। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মিতু হত্যার বিচার হোক, চাই। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত