প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক এনজিও কর্মীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলো বাবুল, তার পরিকল্পনায়ই মিতুকে হত্যা করা হয় : মিতুর বাবা

মাসুদ আলম : [২] নিহত মাহমুদা খানম মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ২০১৩ সালে বাবুল আক্তার যখন কক্সবাজারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তখন এনজিওর এক মাঠকর্মীর সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে স্ত্রী মিতুর সঙ্গে ঝগড়া হয়। মৃত্যুর আগে মিতু বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন। পারিবারিকভাবে তারা বিষয়টি সমাধানেরও চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সফল হননি। একপর্যায়ে বাবুল ও ওই নারী মিতুকে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

[৩] তিনি বলেন, বাবুলের পরিকল্পনায় আসামিরা মিতুকে হত্যা করে। মামলায় বাবুলসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি সাতজনের নাম আগের মামলায় পুলিশের তদন্তে এসেছিলো। আসামিরা হলেন, বাবুল আক্তার, কামরুল সিকদার মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ শাহজাহান, মোহাম্মদ সাজু ও মোহাম্মদ কালু।

[৪] মামলা করতে দেরি কেন জানতে চাইলে মোশাররফ বলেন, বাবুলের বিষয়ে তিনি পরে নিশ্চিত হয়েছেন। একই ঘটনায় দুটি মামলা হয় না। পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পরে তিনি মামলা করেছেন।

[৫] তিনি বলেন, মিতু হত্যার সন্তানরা যাতে জানতে পারে বাবুলই মিতুর খুনি, সেকারণে তার সন্তানদের সঙ্গেও বাবুল মিতুর বাবা-মাকে দেখা করতে দেননি। মৃত্যুর আগে মেয়ে হত্যার বিচার দেখে যেতে চান তার বাবা-মা। বাবুলকে এমন শাস্তি দেওয়া হোক যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। তাদের মতো আর যেন কোনো বাবা-মার বুক খালি না হয়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত