শিরোনাম
◈ ঢাকায় জেঁকে বসেছে শীত, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ◈ বিদ্রোহী প্রার্থী সামাল দিতে পারবে বিএনপি? ◈ কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ, এক আসনে লড়ছেন ২৪ জন ◈ শেষ ষোলয় সেনেগালকে হারা‌তে চায় সুদান ◈ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট মুস্তাফিজের ◈ গাজায় ত্রাণ সংস্থা নিষিদ্ধ করায় নেতানিয়াহুকে 'ফেরাউন' বললেন এরদোগান ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার খাজা বললেন, আমি গর্বিত মুসলিম  ◈ চলতি মাসে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ নলডাঙ্গায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সড়কে অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার ◈ ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে পেট্রাপোল বন্দরে ‘প্যাসেঞ্জার ইউজার চার্জ’ বসালো ভারত

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২১, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ১১ মে, ২০২১, ০৭:৫৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সাজাভোগের মধ্যেই যেভাবে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান আ স ম আব্দুর রব

বাশার নূরু: [২] প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আদালতে সাজাপ্রাপ্ত রাজনীতিক আ স ম আব্দুর রবকে চিকিৎসার জন্য জার্মানি পাঠানো হয়েছিল। বিয়াল্লিশ বছর আগের সেই ঘটনা এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে, যখন সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদন নাকচ করেছে সরকার।

[৩] বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, আবেদনটি নাকচ করার কারণ হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে, খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় আইনে তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ১৯৭৯ সালে আ স ম আব্দুর রবকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ঘটনাকে। কিন্তু কিভাবে আ স ম আব্দুর রবকে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল, কী ছিল সেই ঘটনা? এ নিয়ে রব বলেছেন, তার দশ বছরের সাজা বহাল থাকা অবস্থাতেই তাকে চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিল।

[৪] প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা নেয়ার পর ১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল কর্নেল আবু তাহের, আ স ম আব্দুর রবসহ জাসদের ১৭জন নেতাকে। তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান এবং সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছিল। এরপর ১৯৭৬ এর জুলাই মাসেই সামরিক আদালতের বিচারে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। আর আ স ম আব্দুর রবের দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং জাসদের অন্য নেতাদের বিভিন্ন মেয়াদে জেল হয়েছিল। সামরিক আদালতের রায় অনুযায়ী আ স ম আব্দুর রব জেল খাটছিলেন। ১৯৭৯ সালের এপ্রিল মাসে আ স ম আব্দুর রব অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তার অসুস্থতা গুরুতর হয়, তখন ব্রেইন টিউমার হয়েছে, এমন আশংকা করা হয়েছিল।

[৫] আ স ম রব বলেন, ‘অবস্থা গুরুতর হলে আমার সাজা মওকুফ না করেই আমাকে ১৯৭৯ সালের পহেলা মে চিকিৎসার জন্য তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে পাঠানো হয়। তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে তার পাসপোর্ট করে দিয়েছিলো। চিকিৎসা শেষ করেন ১৯৮০ সালের পহেলা মে ঢাকায় ফেরেন রব।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়