প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে ৩৫ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করেছে সরকার

আনিস তপন : [২] মঙ্গলবার এক তথ্য বিবনণীতে এ কথা জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

[৩] তাতে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে উন্নতমানের ৩৫ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়েছে।

[৪] মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ’ প্রকল্পের আওতায় এসব ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়েছে।

[৫] ইতোমধ্যে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও ভোলা জেলায় আমদানি করা এসব ভ্যাকসিন যথাক্রমে নয় লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০০ ডোজ, ১০ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০০ ডোজ, ছয় লক্ষ ৭০ হাজার ডোজ এবং সাত লক্ষ ৯৫ হাজার ডোজ পাঠানো করা হয়েছে।

[৬] এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে খামারিদের অর্থনৈতিক লাভের নিশ্চয়তা প্রদান ও বিশ্ববাজারে দেশের প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। এ রোগ থেকে দেশের ডেইরি খাতকে রক্ষায় ১৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়েছে।

[৭] ইতোমধ্যে ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ১৪ হাজার ২৮৬ ডোজ ভ্যাকসিনের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। যার প্রথম ধাপে ৩৫ লক্ষ ডোজ অতিসম্প্রতি রাশিয়া থেকে পাওয়া গেছে।

[৮] এর মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক গরু, ছাগল, মহিষ এবং ভেড়া ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হচ্ছে যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। করোনা মহামারীকালে খামারিদের ক্ষয়-ক্ষতি কমাতে এ ভ্যাকসিন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

[৯] উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক ও উৎপাদনশীলতার দিক থেকে গবাদিপশুর সবচেয়ে মারাত্বক সংক্রামক ব্যাধি ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (ক্ষুরা রোগ) যা সংক্ষেপে এফএমডি নামে পরিচিত।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত