শিরোনাম
◈ সংসদে অনুপস্থিত এমপি, বাতিল হলো লিখিত প্রশ্ন: স্পিকারের ‘জি এম তো নাই’ মন্তব্যে হাসির রোল ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন এ্যানি ◈ ইংরেজি জানেন, বুঝতেও পারেন—কথা বলতে গেলেই সমস্যা কেন হয়? ◈ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইএসডিবির সঙ্গে চুক্তি সই ◈ জাতীয় গ্রিডে বাড়ছে গ্যাস, কাল আসছে আরও এক এলএনজি কার্গো ◈ জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’ ◈ বয়স জালিয়াতির কার‌ণে এক সঙ্গে ৫০০ জন কু‌স্তি‌গির বহিষ্কার ◈ ‘যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে রেমিট্যান্সের শীর্ষে ফের সৌদি আরব’ ◈ হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু ◈ সব নাগরিকের জন্য ‘এক-আইডি’; জন্মের পরই মিলবে ডিজিটাল পরিচয়

প্রকাশিত : ১০ মে, ২০২১, ০১:৪৬ রাত
আপডেট : ১০ মে, ২০২১, ০১:৪৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবশেষে মৃত থেকে ‘জীবিত’ হলেন তাঁরা ৮জন

নিউজ ডেস্ক : রাজশাহীর বাগমারার আলোকনগর গ্রামের নূর মোহাম্মদ শেখের নাম অবশেষে ভোটার তালিকায় উঠেছে। তাঁকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এতে তিনি ভোগান্তিতে পড়েন।

নূর মোহাম্মদসহ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া মোট আটজনকে পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গতকাল রোববার এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি বাগমারা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরে এসেছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তর ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত মার্চ মাসে উপজেলার ভানসিপাড়া গ্রামের ছফুরা বিবি, খালিশপাড়ার ছাহেরা বিবি, মোহনপুরের এহেরজান বেওয়া, সাঁইপাড়ার আনিছুর রহমান, জাঙ্গালপাড়ার মরিজান বিবি, চকসেউজবাড়ির আহম্মদ আলী, মোহাম্মদপুরের তমির উদ্দিন ও আলোকনগর গ্রামের নূর মোহাম্মদ শেখ জানতে পারেন, ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। মৃত দেখিয়ে তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কয়েকজন বয়স্ক ও বিধবাভাতার সুবিধাভোগী। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় অনলাইনে সুবিধাভোগী হিসেবে তাঁদের নাম নিবন্ধন হয়নি। এ কারণে তাঁদের ভাতা বন্ধ হয়ে যায়।

এরপর ভুক্তভোগীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁরা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরে এসে নিজের জীবিত থাকার প্রমাণপত্র দেখান। তাঁরা পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানান।

ভুক্তভোগীদের একজন আহম্মদ আলী বলেন, তাঁকে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। এতে ভাতা পেতে সমস্যা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুই বছর আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় এই আট জীবিত ব্যক্তিকে তালিকায় মৃত দেখানো হয়। এই তালিকা ইউনিয়ন পরিষদেও পাঠানো হয়েছিল। তবে ওই সময় কেউ যাচাই করেননি। তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে এ বিষয়ে গত ২৮ মার্চ জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। পরে তাঁদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, শিক্ষকেরা সাধারণত ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ করেন। তাঁরা নতুন ভোটার তালিকাভুক্ত করেন এবং মৃত ব্যক্তিদের বাদ দেন। তথ্যদাতারা ভুল তথ্য দিতে পারেন অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখতে গিয়ে কোনো সংখ্যার গরমিল হয়ে থাকতে পারে। এসব কারণে এটি ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন। এই ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত সমাধানে কমিশন আন্তরিক ও তৎপর। প্রথম আলো

  • সর্বশেষ