প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খন্দকার সোহেল: বইয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য আসলে কী?

খন্দকার সোহেল: বইয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য আসলে কী? একটি বই ছাপা হওয়া নাকি একটি বই অনেক অনেক পাঠকের হাতে পৌঁছে যাওয়া? বেশ কিছুদিন আগের কথা। একজন প্রকাশককে কোনো এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়েছিল, প্রকাশক হওয়ার জন্য কী যোগ্যতা প্রয়োজন? উত্তরে সেই প্রকাশক বলেছিলেন, বাবার জমিদারি থাকতে হবে। উত্তরটি তখন পছন্দ হয়নি। এ আবার কেমন যোগ্যতা। কিন্তু প্রকাশনা জগতে এক যুগ পার হবার পর এখন বোধদয় হয়েছে এই যোগ্যতাটির বিষয়ে। যখন গোডাউনে যাই, তখন মনে হয় বছরের পর বছর কতো কতো বই গোডাউনে ফেলে ফেলে পাহারা দিতে হয়। আর বছরের পর বছর গোডাউন ভাড়াটা গুণতে কতোটা কাঠখড় পোড়াতে হয়। অসংখ্য লেখককে দেখেছি বই প্রকাশের আগে কতো তাড়া বই নিয়ে। অবস্থা দেখে মনে হয় হাজার হাজার পাঠক প্রতিদিন বঞ্চিত হচ্ছেন তার বই পাঠ থেকে। কিন্তু প্রকাশের পর একটা কপি হাতে নিয়েই সন্তুষ্ট অনেক লেখক। এরপর তাদের আর কোনো তাড়া থাকে না। বইয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য আসলে কী? একটি বই ছাপা হওয়া নাকি একটি বই অনেক অনেক পাঠকের হাতে পৌঁছে যাওয়া? পরের কাজটির জন্য অনেক লেখকের বই প্রকাশের আগের তাড়াটি কেন মরে যায়? উত্তর জানা আছে কারও?

রিপিট করি : আমার কেবল দুইটা বিষয় জানা প্রয়োজন। [১] একটি বই প্রকাশের প্রকৃত উদ্দেশ্য আসলে কী? [২] যেসব লেখক বই প্রকাশের আগে বই প্রকাশ নিয়ে প্রচুর তাগিদ দেন, বই প্রকাশের পর তাদের তাগিদটা মরে যায় কেন? বাংলাদেশের বইয়ের জগত নিয়ে হাজারটা সমস্যা আছে। এই পোস্টে আমি কেবল এই দুইটা প্রশ্নেরই উত্তর জানতে চাই। অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা অন্য কোনো পোস্টে করতে চাই।

পুনশ্চ : প্রশ্নটা আমার প্রকাশনীর নয়, পুরো বুক ইন্ডাস্ট্রির। প্রকাশনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করলে আমার পরিচিত কেউ কেউ কিছু প্রশ্ন আমার দিকে ফিরিয়ে দেন। প্রশ্নের অভিজ্ঞতাটি হয়তো আমারও। কিন্তু একইসঙ্গে এই অভিজ্ঞতা অন্য আরো অনেকেরই। এই দেশের বুক ইন্ডাস্ট্রিরই মধ্য থেকে পাওয়া এই প্রশ্ন। উত্তরটি জানতে আগ্রহী। বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রকাশনা ও বই প্রকাশের সংস্কৃতি। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত