শিরোনাম
◈ ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক প্রবেশ করল দেশে ◈ চীনের অনুদানে যে কারণে নীলফামারীতে হবে ১০ তলা হাসপাতাল, আরও যা যা থাকছে ◈ কোথায় রাখা হবে পোস্টাল ব্যালট, গণনা কোন পদ্ধতিতে ◈ আই‌সি‌সি এমন কে‌নো, কী কার‌ণে বাংলাদেশ ভারতের বাইরে খেলতে পারবে না— প্রশ্ন অ‌স্ট্রেলিয়ান গিলেস্পির  ◈ বিশ্বকাপ বয়কট আলোচনার মধ্যে দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ◈ কোনো দল বা গোষ্ঠী কাউকে সিট দেওয়ার মালিক নয় : মির্জা আব্বাস  ◈ বড় দলগুলোর হেভিওয়েট নেতাদের ভূমিধস পতন হবে: সারজিস আলম ◈ নির্বাচন জামায়াত–এনসিপির অধীনে হচ্ছে, তাদের মিলেই সরকার গঠিত: জিএম কাদের ◈ শুল্ক কমানো হলেও কেন কমছে না দাম—ব্যাখ্যা দিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান ◈ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২১, ০৪:২২ সকাল
আপডেট : ০৬ মে, ২০২১, ০৪:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শামীম আজাদ: আপনি-আমিই করোনার বাহক হয়ে যেতে পারি, ফলে সাধু সাবধান!

শামীম আজাদ: বোকারা নিজের হাত পুড়িয়ে শেখে, বুদ্ধিমানেরা অন্যের হাত পোড়ানো দেখে শেখে- কী শেখে? শেখে আগুন ধরলে সব পুড়ে খারখার হয়ে যাবে। বাংলাদেশের পাশের দেশ, সবচেয়ে নিকট প্রতিবেশি কোভিডের কবলে পড়ে মহামারির চাইতেও মহা বিপদে পড়েছে। তাদের আগুনটা লেগেছে কুম্ভমেলা ও নির্বাচনের জনসমাবেশের কারণে। আর আমি যেখানে আছি সে এই বিলেতে প্রতিদিন হাজারের উপর মারা গেছি গত ক্রিসমাসের উৎসবের কেনা কাটা, ভ্রমন ও খবার আনন্দ করার পর পরেই। আমরা দু'জন তখন ভয়ে বাসার ভেতর থেকে রাস্তায় মানুষ দেখলে অস্থির হতে হতে এক সময় বড় করে ‘প্লিজ স্টে হোম’ লিখে বাইরে টানিয়ে দিয়েছিলাম। প্রথম আলোর সংবাদ অনুযায়ী ভারতে গতকাল শনিবার ৩ লাখ ৯২ হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ। ভারতে এক দিনে ৩ হাজার ৬৭৩ জন করোনায় মারা যান। আগের দিন শুক্রবার ৩ হাজার ৫২৩ জন করোনায় মারা যান। সবশেষ মৃত্যুর এই সংখ্যা নিয়ে ভারতে করোনায় মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৪ জন। এক দিনে ৩ লাখ ৯২ হাজার ৬০৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। আগের দিন শুক্রবার ভারতে ৪ লাখ ১ হাজার ৯৯৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

সবশেষ তথ্য নিয়ে ভারতে করোনায় সংক্রমিত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৩। আমাদের রোজা চলছে, শুরু হয়েছে কেনাকাটা- শুরু হয়ে গেছে কোভিড নিয়মের শিথিলতা। আমাদের সব চেয়ে বড় উৎসব ঈদ আসছে। বলা যায়  প্রতিবেশির অবস্থা দেখে না শিখলে এবারের ঈদ আসছে নিয়ে যেতে শত নয় হাজার হাজার প্রাণ। তাই শুধু সতর্কতা নয়, শুধু সাবধানতা নয়, তার চেয়েও বড়- বুকের মধ্যে করোনাআতঙ্ক পোষন করুণ- ভয় পান- খুব ভয় পান। তবেই বাঁচবেন আর নিজের পরিবারকে হয়তো বাঁচাতে পারবেন। করোনাই এখন পৃথিবীর দন্ডমুন্ডের কর্তা। সে এগিয়ে আসছে আমাদের কলিজায় আরো বড় থাবা দিতে। ঈদের কেনাকাটা অন লাইনে করুন, এবার অতো খেতে হবে না- কম খাবার কিনুন। ঈদের দিনে কাউকে নিমন্ত্রণ দিয়ে ঘরের ভেতরে এনে তার বা তাদের জন্য বিপদ ডেকে দেবেন না। নিজে উপহার বা খাদ্য নিয়ে আরেকজনের বাড়ি গিয়ে তাদের বিপদে ফেলবেন না। দেশের বিপদ আর বাড়াবেন না। সবচেয়ে ভয়াবহ কথা হলো এই যে, আমার করোনা না হলেও যদি আমি ঘরের বাইরে মানুষের মেলে যাই- আমিই করোনার বাহক হয়ে যেতে পারি। এবার আমি নিজের জন্য যা ভাবি মনে মনে তাই উচ্চারণ করছি। আর তা হল 'আমি যেন কারো বিপদের (মৃত্যুর) কারণ না হই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়