শিরোনাম
◈ সরকারি চাকরিজীবীদের এ মাসেই বাড়তি বেতন-ভাতা নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় ◈ পরমাণু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে চাপ নিতে প্রস্তুত কি দেশের গ্রিড? বড় চ্যালেঞ্জ স্পিনিং রিজার্ভ ◈ ওমা‌নের মা‌ঠে সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে সময় লাগছে মাত্র ১৫-২০ মিনিট, জানালেন বিমানমন্ত্রী ◈ হা‌রের ক্ষত না শুকা‌তেই আইসিসির শাস্তি পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ◈ ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির মামলায় ৯৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ের তথ্য নিয়ে যা বলল পরিবার ◈ ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ দুই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে বার্সেলোনা শিবিরে জোড়া ধাক্কা ◈ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: রায়ের কপি পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ, জানালেন শামা ওবায়েদ

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২১, ০৪:০০ দুপুর
আপডেট : ০২ মে, ২০২১, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ক্রিকেটার অশ্বিনের সংসারে একসঙ্গে করোনা আক্রান্ত দশজন হাসপাতালে!

স্পোর্টস ডেস্ক: [২] পরিবারের এমন বিপদের সময় তিনি কী করে ক্রিকেটে মনোনিবেশ করতেন। সেই জন্যই এবারের আইপিএল থেকে রবিচন্দ্রন অশ্বিন সাময়িক ব্রেক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চলতি আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তার মতো স্পিনার দলে থাকা মানে বাড়তি ভরসা। কিন্তু বাধ্য হয়েই এবারের আইপিএল থেকে নাম তুলে নিয়েছেন অশ্বিন।

[৩] টুনামেন্ট চলাকালীন আচমকা টুইট করে অশ্বিন জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত কারণে এবার আইপিএল থেকে তাকে সাময়িক ব্রেক নিতে হচ্ছে। তবে তিনি আবার আইপিএলে ফিরবেন কিনা সেই ব্যাপারেও পাকাপাকি কিছু জানাননি। শুধু বলেছিলেন, পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকলে তিনি আবার ফিরতে পারেন। অশ্বিনের পরিবারে এখন সত্যিই বড় বিপদ।

[৪] পরিবারের ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের স্ত্রী প্রীতি নারায়নন জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের ছয়জন বয়স্ক এবং চারজন বাচ্চা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহের মধ্যে এক সঙ্গে পরিবারের ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যেকেই আলাদা হাসপাতালে ভর্তি। আপাতত মাত্র একজন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

[৫] দেশবাসীকে করোনা টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আরও জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে যেন তাদের পরিবার দুঃস্বপ্নের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারীর এই সময় তার পরিবারের প্রত্যেকের মানসিক অবস্থা বেশ খারাপ। শরীরের অসুস্থতা কিছুদিনের মধ্যেই সেরে উঠবে হয়তো। তবে মানসিক স্বাস্থ্য সারতে অনেক সময় লাগবে।

[৬] অশ্বিনের স্ত্রী জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্তদের পরিবারের লোকজন এই সময় একেবারে একা হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, ৫ থেকে ৮ দিনের মাথায় সব থেকে খারাপ সময় চলে। সেই সময় করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার কাছে আবেদন করেছেন প্রীতি। - নিউজ ১৮

  • সর্বশেষ