শিরোনাম
◈ কনটেইনারের ভেতরেই নষ্ট হচ্ছে কয়েক হাজার কোটি টাকার পণ্য ◈ দেশের ১৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ রেকর্ড গরমে পুড়ছে জাপান, ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়াল তাপমাত্রা ◈ দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটে নাকাল জনজীবন, পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন ◈ সংস্কার না হলে আরও কমতে পারে প্রবৃদ্ধি, সতর্ক করল আইএমএফ ◈ ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অজনপ্রিয় সামরিক অভিযান: সিএনএনের বিশ্লেষণ ◈ এমপি নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ধোঁয়াশা, কাজীর বক্তব্যে নতুন বিতর্ক ◈ স্বর্ণ-নগদ টাকা নিয়ে ভাতিজার সঙ্গে উধাও চাচি, থানায় অভিযোগ চাচার ◈ এলএনজি টার্মিনাল বিকল, বেড়েছে গ্যাস সংকট ◈ আইন প্রণয়ন ও কমিটি গঠনে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ টিআইবির

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০২:৩৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সান্তাহারে ভারত থেকে আমদানি করা নিম্নমানের চালের খালাস বন্ধ

মমতাজুর রহমান :[২] বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে ভারত থেকে আমদানি করা চালের মাঝে মড়া, বিনষ্ট ও বিবর্ণ চালের পরিমান বেশি হওয়ায় ছয়টি ওয়াগন থেকে চাল খালাস বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। ছয়টি ওয়াগনে প্রায় ৩৫৪ মেট্রিক টন ভারতীয় চাল প্রায় চার দিন ধরে সান্তাহার ষ্টেশনের খালাস স্থান মালগুদাম এলাকায় রাখা হয়েছে।

[৩] খাদ্য সংরক্ষানাগার (সিএসডি) কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দেশের আভ্যন্তরীন খাদ্য সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রনালয় ভারতের সাথে জি টু জি চুক্তির আওতায় ভারত থেকে ট্রেন পথে চাল আমদানীর সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সে অনুযায়ী গত ৩ এপ্রিল থেকে ট্রেন পথে বাংলাদেশের দর্শনা রেল বন্দর হয়ে ভারত থেকে পাঁচ র‌্যাকে ২০৫ ওয়াগন চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করে সান্তাহার জংশন ষ্টেশনে আসে।

[৪] আমদানিকৃত চালের পরিমান প্রায় ১২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন। আমদানি করা চাল পরিক্ষা নিরিক্ষা শেষে সান্তাহার কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষানাগারে (সিএসডি) মজুদ করে রাখা হচ্ছে।উপজেলার সান্তাহার কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষানাগার (সিএসডি) ব্যবস্থাপক দুলাল হোসেন জানান, ছয়টি ওয়াগনের চাল খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে। এসব পরিক্ষা-নিরিক্ষা করা হচ্ছে।

[৫] তদন্ত পূর্বক এসব চাল খালাস বা ফেরত দেয়ার সিদ্ধন্ত নেয়া হবে। তাছাড়া ইতিমধ্যে এ পর্যন্ত আট হাজার ৩৭৬ মেট্রিক টন চাল ওয়াগন থেকে খালাস করা হয়েছে।বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুজ্জামান বলেন, আমদানি করা চালের মধ্যে ওই ছয়টি ওয়াগনের চালে মড়া, বিনষ্ট ও বিবর্ণ চালের পরিমান বেশি হওয়ায় ছয়টি ওয়াগন থেকে চাল খালাস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

[৬] সাধারনত চাল গ্রহনের ক্ষেত্রে দুই থেকে তিন শতাংশ মড়া, বিনষ্ট ও বিবর্ণ গ্রহনের বিধান থাকলেও ওই সব ওয়াগনে থাকা চালে এর পরিমান অনেক বেশি। বিষয়টি খাদ্য বিভাগের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ কে জানানো হয়েছে এবং চালের নমূনা খাদ্য অধিদপ্তর বরাবর পাঠানো হয়েছে । পরবর্তি নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত ওই ছয় ওয়াগনের চাল খালাস বন্ধ রাখা হবে।সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়