শিরোনাম
◈ তিস্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ-চীন সমন্বয়, ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ হজের খরচ বাড়াচ্ছে সৌদি সরকার ◈ সবই টাকার খেলা, মেসিকে টিকিয়ে রাখতেই অন্যায়: ফিফার বিরুদ্ধে মিশর কোচের বিস্ফোরক অভিযোগ ◈ ঢাকার মিরপুর, চট্টগ্রাম ও সি‌লেট স্টে‌ডিয়া‌মে এশিয়া কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা আঘাতের দাবি ◈ বিশ্বকা‌পে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদ‌ন্তের দা‌বি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ◈ উত্তাল সাগর: এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে দেশ ◈ আকুর বিল পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৬.৫২ বিলিয়ন ডলার ◈ অ‌শ্বিন বল‌লেন, শেষ পর্যন্ত মূল ক্ষতিটা হবে ভারতীয় দলেরই ◈ সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে?

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:৫৫ রাত
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডা. লেলিন চৌধুরী: ভারত থেকে আসা পলাতক করোনাক্রান্তদের খুঁজে বের করা জরুরি

ডা. লেলিন চৌধুরী: তারা ১১ জন। সবাই পালিয়েছে। ভারত থেকে আসা করোনাক্রান্ত রোগী। যশোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। সেই হাসপাতাল থেকে সবাই পালিয়েছে। এই রোগীরা কি ভারতীয় ভাইরাস (ডাবল/ট্রিপল মিউট্যান্ট) দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে? উত্তরটি জানা মহা-জরুরি। করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ধরন বা মিউট্যান্ট সাধারণ ভাইরাসের চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমণশীল এবং আগ্রাসী গতিতে রোগ তৈরি করে। এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে রোগীর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। আক্রান্ত হওয়ার ২-৩ দিনের মধ্যে অধিকাংশ রোগীর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থেকে। আমরা জানি ভারতে করোনার প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। হাসপাতালে শয্যা নেই। অক্সিজেনের অভাবে রোগীরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ভারতের বহু স্থানের বিরাজমান অবস্থা মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে।

বাংলাদেশে ভারতীয় ভাইরাসের প্রবেশ ঘটলে একটি মহাবিপর্যয়কর অবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য আমাদের সকল ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যা করতে হবে- [১] দ্রুততম সময়ের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া রোগীদের সবাইকে খুঁজে বের করে পুলিশি প্রহরায় হাসপাতালে ভর্তি রাখতে হবে। [২] হাসপাতাল থেকে পালানোর পর তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছে তাদের সবাইকে শনাক্ত করে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারিন্টাইনে রাখা জরুরি। কোয়ারিন্টাইনে থাকা সবাইকে তিনদিন পরপর আরটিপিসিআর টেস্ট করতে হবে।

[৩] এগারোজন রোগীর শরীর থেকে সংগৃহীত নমুনার  জিনবিন্যাস বা জিনোম সিকুয়েন্স অতি জরুরিভাবে পরীক্ষা করা অতিআবশ্যক।

[৪] ভারতসীমান্তে অবস্থিত বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোতে জরুরি পণ্য পরিবহন চলছে। তাই বন্দরগুলোতে স্থানীয় বিধি-নিষেধ আরোপ করা হোক। করোনা-নেগেটিভ সার্টিফিকেট ব্যতীত কেউ বন্দর এলাকা থেকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবে না। দেশে ভারতীয় ভাইরাসের প্রবেশ আটকানো গেলে করোনার বিরুদ্ধে চলমান প্রতিরোধ লড়াইয়ে আমরা আরো একধাপ সামনে এগিয়ে যেতে পারবো। মনে রাখতে হবে, সময়ের একফোঁড় অসময়ের দশফোঁড়ের চেয়ে বেশি কার্যকর। লেখক : জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়