শিরোনাম
◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ ◈ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৪ কোটি লিটার তেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন ডাল কিনবে সরকার ◈ জুলাইয়ে চালু হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ◈ চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ, ১৫ দিনেই মিলবে ব্যবসার লাইসেন্স ◈ খেলা দেখাই চাকরি, বিশ্বকাপে ৫০ হাজার ডলার পাচ্ছেন দুই ফুটবলপ্রেমী, ভাইরাল দুই সমর্থকের গল্প ◈ ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা জারি, বন্ধ স্কুল-বিমানবন্দর ও রেল চলাচল স্থগিত ◈ চীনে খুলছে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ অফিস, বাড়বে শিল্প সহযোগিতা, কোম্পানিগুলোকে অংশীদার হওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের ◈ ছিঁড়ে যাচ্ছে জার্সি, বিশ্বকাপে কেন এমন অপেশাদারিত্ব? 

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:১৯ বিকাল
আপডেট : ২৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] শপিংমলগুলোতে উচ্চ আয়ের ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও সংকটে মধ্যম মানের মার্কেটগুলো

শরীফ শাওন: [২] সল্প আয়ের লোকদের কেনাকাটার স্থল মিরপুর ১০ নম্বরে ফুটফাট ও মিরপুর ১১ নম্বরের মোহাম্মদিয়া মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ক্রেতা সংকট। গুটি কয়েক ক্রেতার আনাগোনা থাকলেও বিক্রি নেই বলছেন বিক্রেতারা।

[৩] সোমবার মধ্যম আয়ের লোকজনের ভরসাস্থল নিউমার্কেট, গাউসিয়া, চাঁদনীচকসহ আশপাশের মার্কেটগুলোতে জনসমাগম দেখা যায়। তবে দোকানিদের মতে, দোকান সংখ্যার তুলনায় তা অতি নগন্য।

[৪] এদিকে মিরপুর ২ নম্বর এলাকা ঘুরে দেখা যায় ক্যাটস-আই, ইনফিনিটিসহ নামি-দামি ব্র্যান্ডের শো-রুমের পাশাপাশি মধ্যম মানের চন্দ্রবিন্দু, দেশজসহ প্রায় শতাধিক শো-রুম থাকলেও ক্রেতাশূন্য দিন পার করছেন বিক্রেতারা।

[৫] সল্প ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের বাইরে উচ্চ আয়ের লোকজনের জন্য গড়ে ওঠা শপিং মল ও শো-রুমগুলোতে এ চিত্র একেবারে ভিন্ন। আসাদগেটে অবস্থিতি আড়ং শো-রুম, ফার্মগেটের বসুন্ধরা সিটি, ধানমন্ডির রাপা প্লাজা এবং যমুনা ফিউচার পার্কে ক্রেতাদের ভিড় পরিলক্ষিত হয়।

[৬] সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, রমাজান মাসে সাধারণত সকালে ক্রেতাশূন্য থাকলেও দুপুর থেকে আনাগোনা শুরু হয়। তবে মূল বেচা কেনা হয় সন্ধ্যার পর। এসময় লোক সমাগম সবচেয়ে বেশি থাকে।

[৭] স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান-শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও অধিকাংশ স্থানেই তা দেখা যায়নি। আড়ংয়ে তাপমাপক যন্ত্র থাকলেও নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বসুন্ধরা সিটির প্রবেশমুখে স্যানিটাইজ ব্যবস্থা থাকলেও পাওয়া যায়নি তাপমাপক ব্যবস্থা। মিরপুরে ২ নম্বরে অবস্থিত ক্যাটস-আই সহ অধিকাংশ শো-রুমে স্বাস্থ্যবিধির দুটির একটিও পাওয়া যায়নি। এছাড়াও অধিকাংশ ক্রেতারা মাস্ক পরিধান করলেও কেউই মানছেন না শারীরিক দূরত্ব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়