প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেড় মাস পূর্বে দেবিদ্বার থেকে নিখোঁজ, অবশেষে তিতাস থেকে কঙ্কাল উদ্ধার

তাসীন তিহামী: [২] কুমিল্লার তিতাসে শনিবার দুপুরে কলাকান্দি ইউনিয়নের দড়ি মাছিমপুর গ্রাম সংলগ্ন সরিষাবাগ থেকে উদ্ধারকৃত মানবদেহের কঙ্কালটি দেবিদ্বারের পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ির ছোট্ট মিয়ার।

[৩] মৃত আহাম্মদ আলীর ছেলে ছোট্ট মিয়া (৬২) দেবিদ্বার থানায় ধর্ষণ মামলার আসামি ছিলেন। গ্রেফতার এড়াতে গত ৭ মার্চ থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

[৪] নিহত ছোট্ট মিয়ার মেয়ে মোসাঃ শাহিনা বেগম জানান, আমাদের বাড়ির পাশে একটি টং দোকানে বাবা ব্যবসা করিত। গত ৪ মার্চ বিকাল সাড়ে ৩টায় একই বাড়ির সম্পর্কে আমার বাবার নাতনী সায়মা আক্তার (৯) টং দোকানে আসলে তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ আনা হয়। গত ৭ মার্চ সায়মার মা বাদী হয়ে বাবাকে আসামি করে দেবিদ্বার থানায় শিশু ধর্ষণ মামলা করেন। ঐদিন বিকালে পুলিশ বাড়িতে আসলে বাবা ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। একইদিন সন্ধ্যা প্রায় ৭ টায় বাবা আমার ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন দিলে আমি তার অবস্থানের কথা জানতে চাইলে তিনি এক জায়গায় আছেন বলে জানান। এরপর অনেক বার বাবার ফোনে চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি আরো জানান, আমার বাবা বয়োবৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। দীর্ঘদিন যাবৎ শ্বাসকষ্ট রোগে ভোগছিলেন।

[৫] উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে উপজেলার দড়ি মাছিমপুর গ্রাম সংলগ্ন সরিষাবাগ এলাকা থেকে মানবদেহের কঙ্কাল উদ্ধার করে থানা পুলিশ। কঙ্কালের পাশে একটি ছেড়া লুঙ্গি ও পাঞ্জাবী ছিল। পাঞ্জাবীর পকেটে একটি টুপি, একটি মাস্ক, দুটি ওষুধের পাতা, একটি বন্ধ মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। পরে মোবাইল ফোনটি সচল করে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।

[৬] তিতাস থানার ওসি সৈয়দ আহসানুল ইসলাম বলেন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতের আত্মীয়-স্বজন উদ্ধারকৃত পোশাক ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি দেখে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। নিহতের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানার ধর্ষণ মামলার আসামি ছিলেন। কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় তিতাস থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত